রবিবার, অক্টোবর ২০ .
  • ৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক ইনডেমনিটি বৃহস্পতিবার প্রদর্শিত হবে

0
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায় নিয়ে রচিত নাটক ‘ইনডেমনিটি’। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় ‘চির উন্নত মম শির’ বেদীতে নাটকটি প্রদর্শিত হবে।
নাটকটি রচনা করেছেন মান্নান হীরা, নির্দেশনা দিয়েছেন ড. মো. কামাল উদ্দীন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন প্রফেসর ড. মাহবুব বোরহান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের পরিবেশনায় ‘ইনডেমনিটি’ নাটকে অভিনয় করছেন ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের অভিনয় শাখার শিক্ষার্থীরা। আলোচ্য নাটকটির প্রযোজনা করেছে ওয়ান বাংলাদেশ।
ইনডেমনিটি(দায়মুক্তি)অধ্যাদেশ ছিলো বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ঘৃণ্যতম কালো আইন।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর ঘাতকরা জবাবদিহিতা থেকে বাঁচার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদের সাথে পুনরায় কুচক্রে লিপ্ত হয়।এর প্রেক্ষিতে ঘাতকদের প্ররোচনায় ও ক্ষমতার লোভে রক্ষাকবজ হিসেবে ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন খন্দকার মোশতাক।
মূলত, এই অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে এই হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত কারও বিরুদ্ধে কোর্ট বা আদালতে কোনো মামলা করা যাবে না এবং রাষ্ট্রপতি উল্লেখিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে যাদের প্রত্যয়ন করবেন,তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হবে।
পঁচাত্তরের পর ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল ইনেডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হয়। অতঃপর ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর ইনডেমনিটি বিল বাতিল করা হয়।এরপর থেকে শুরু হয় ১৫ আগস্টের ঘাতকদের বিচার কার্যক্রম এই হচ্ছে নাটকের মূল প্রতিপাদ্য।
এই প্রসঙ্গে নাটকের নির্দেশক ড. মো. কামাল উদ্দীন বলেন, ‘ইনডেমনিটি’ কালো অধ্যায়টিকে পথনাটক আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।নাটকের উদ্দেশ্য অনুাযায়ী অনেকগুলো সাংকেতিক নাম ও ঘটনার উল্লেখ আছে এই নাটকে।অভিনয়ে বর্ণনাত্মক ও চরিত্রাভিনয় উভয়রীতির সংমিশ্রণ লক্ষনীয়।কাজেই সঙ্গীত, বাদ্য, নৃত্য, সংলাপ হচ্ছে এই নাটকের প্রাণ।
নাটকটির ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এই নাটকের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম বিশেষত আমাদের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের ইনডেমনিটি নামক কালো অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণ লাভ করবে।
Share.

About Author

Leave A Reply