কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার উদ্যোগে জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

56
কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৭ মার্চ প্রত্যুশে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকালে সিটি পার্ক সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার কমিশনার মো: আজিজুর রহমান, যুগ্ম কমিশনার মো: মুশফিকুর রহমান, উপ কমিশনার উত্তম বিশ^াস সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
সকাল ১০টায় কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লা কার্যালয়ের মেঘনা সম্মেলন কক্ষে জাতির জনকের জীবনী, কর্ম ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেখানো হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার কমিশনার মো: আজিজুর রহমান।

এসময় বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার ও কর্মকর্তা- কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন লেখা পাঠ করেন, উপ কমিশনার উত্তম বিশ্বাস, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা কাজী শারমিন সুলতানা। তাছাড়া স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন যুগ্ম কমিশনার মো: মুশফিকুর রহমান, আমন্ত্রিত বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও স্টেকহোল্ডারগণ।
বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ কোনদিন স্বাধীন হতোনা। এ দেশের মানুষের মুক্তির জন্য, অধিকার আদায়ের জন্য জীবনের অধিকাংশ সময়ই তিনি কারাগারে কাটিয়েছেন। এ দেশের মানুষের দু:খ দুর্দশা দেখলে তিনি পাগল হয়ে যেতেন। বক্তারা বলেন, কারাগারে থাকাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনীর উৎসাহ অনুপ্রেরণায় অসমাপ্ত আত্ম জীবনী লেখা শুরু করেন। পরবর্তীতে এসব লেখা জাতির জনকের কণ্যা শেখ হাসিনা বই আকারে প্রকাশের চিন্তা করেছিলেন। বাংলার মানুষকে সঠিক ইতিহাস জানার সুযোগ করে দিয়েছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানেই বাঙালি জাতি স্বাধিনতার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন এবং বিজয় ছিনিয়ে আনেন। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশকে একটি ক্ষুদা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনা এখন বাস্তবায়িত হচ্ছে। জাতির জনক বেঁচে থাকলে আমাদের এতো সময় অপেক্ষা করতে হতো না।

বাংলাদেশ আজ নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষে বর্তমান সরকার কাজ করছে। আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতি কমিশনার মো: আজিজুর রহমান বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কউিবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বিখ্যাত উক্তি আমি হিমালয় দেখেনি, বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি এবং বিশে^র বিভিন্ন দেশের প্রধান ও বিপ্লবী নেতাদের উক্তি সমূহ তুলে ধরেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফেরাত কামনা সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। তাছাড়া জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। বাংলাদেশকে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা জন্য বিশেষ দোয়াও করা হয়। সব শেষে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু কর্নার পরিদর্শন করেন কমিশনার মো: আজিজুর রহমান সহ অতিথিরা।
আরো পড়ুনঃ