কুমিল্লার তিতাসে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

হালিম সৈকত।।

74

কুমিল্লার তিতাসে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও রাস্তা অবরোধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে তিতাস উপজেলা ছাত্রলীগ। ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুর ১ টার সময় তিতাস উপজেলার গাজীপুরস্থ ছাত্রলীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন বক্তব্য রাখেন তিতাস উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন সাদ্দাম।তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর দৈনিক ভোরের পাতা অনলাইন সংস্করণে ‘মাদকসম্রাট তিতাস উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন,বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।আমি আমার জীবনে মাদক তো দূরের কথা সিগারেট পর্যন্ত স্পর্শ করিনি। আমাকে নাকি মাদক সম্রাট।
সম্প্রতি মাছিমপুর বাজারে এজটি দোকান থেকে ১৮৪ পিস বিয়ার উদ্ধার হয়েছে। যার দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সংবাদে তাকে আমার মামা বানানো হলেও বাস্তবে উনার সাথে আমার কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই। আমার মামার বাড়ি বাতাকান্দি। তিন মামা, বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম বলেন, কোন প্রকার মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির সাথে আমি এবং আমার সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য এবং নিজেদের মধ্যে ভূল বুঝাবুঝি সৃষ্টির জন্য কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নিউজ করিয়েছে।

তারা বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছে যে আমি কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে পারি। সেই জন্য এই কুচক্রী মহলটি আমাকে নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। আমি এটাও শুনেছি তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার জন্য মিথ্যা কাবিননামা তৈরি করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের বন্ধন ইস্পাত কঠিন। চাইলেই কেউ এই বন্ধনকে ভেঙ্গে ফেলতে পারবে না। একটি অনলাইন সংস্করণে এমন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করতে পারে? ভাবতেই অবাক লাগে। তথ্য প্রমাণ ছাড়া এমন গুজব মিথ্যা সংবাদ দেখলাম এই প্রথম। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করা হবে। তিতাস উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ কেউ নেশা দূরে থাক সিগারেটও পান করে না। সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী গৌরীপুর-হোমনা সড়কের গাজীপুর বাস স্টেশনে মানববন্ধন করে এবং টায়ারে আগুন দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে।

সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম মুন্সি, মো. পাভেল মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম, মো. সজিব সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহরাব আলম সায়মন, এমরান হোসেন, জাহিদ হাসান প্রলয়, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন আহমেদ, ফয়সাল আহমেদ ফকির, কলাকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, নারান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, বলরামপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারোয়ার ও এসপিকে সবুজ আহমেদসহ ছাত্রলীগের বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!