কুমিল্লার মুরাদনগর বাজারে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ৭৫-৮ টাকা

শামীম আহম্মেদ।।

82

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় মঙ্গলবার খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭৫-৮৫ টাকায়। ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হওয়ায় দেশে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা চলছে। এরই জেরে অথচ গত সপ্তাহে এসব বাজারে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। জানা গেছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। সরবরাহ ঠিক থাকার পরও বাড়তি মুনাফার জন্য দাম বাড়িয়েছে একটি চক্র। এখনই বাজার পর্যবেক্ষণ জোরদার না করা গেলে পেঁয়াজের দাম আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

মুরাদনগর বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ইমন খান বলেন, কোম্পানীগঞ্জ বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনে এননেছি ৭০ টাকা দরে। পেঁয়াজের আড়তদাররা সিন্ডিকেট করার কারণে সোমবারে পেঁয়াজ কিনেছি ৬৫-৬৮ টাকা দরে। নোয়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা দুলাল আহমদ বলেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমার ঘরে সোমবার থেকে পেঁয়াজ নাই। বাজারে যেন আগুন লেগেছে। এভাবে কতদিন থাকবে জানি না। আমরা যারা গরীব তাদের অবস্থা খুবই খারাপ। নিমাইকান্দি গ্রামের বজলুর রহমান বলেন, আমি ৭০ টাকা দরে ২ কেজি পেঁয়াজ ক্রয় করেছি ১৪০ টাকা দিয়ে।

বাঙ্গরা বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে প্রচুর পরিমান পেয়াজ মজুত থাকা সত্বেও একটি কুচক্রি মহল লাগামহীনভাবে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। সকালে ৬৫ টাকা কেজি পেয়াজ বিক্রি করেছে। বিকেলে শুনেছি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।
কোম্পানীগঞ্জ বাজারের আড়তদার জমির আলী বলেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য খুচরা বিক্রেতারা দায়ী। তিনি আরো বলেন, খোলাবাজারে খুচরা বিক্রেতারা ৭০-৮০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন।

আমরা যারা আড়তদার আছি আমাদের কাছে কোন খুচরা কাস্টমার নেই। খোলাবাজারে খুচরা বিক্রেতাদের কন্ট্রোল করতে পারলে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।জাকির হোসেন নামে আরেক আড়তদার বলেন, ভারতের বাজারে দাম বাড়ার কারণে বাংলাদেশের দাম বেড়েছে। আজ মঙ্গলবার পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি করছি। সোমবার ৪০-৪৫ টাকা দরে বিক্রি করেছিলাম। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ বলেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিভিন্ন বাজারে মনিটরিং চলছে। স্থিতিশীল না হলে মোবাইল কোর্ট করা হবে।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!