কুমিল্লায় চামড়া সংরক্ষনে ভোক্তা অধিদপ্তরের পরামর্শ তদারকি অব্যহত

মাহফুজ নান্টুঃ

89

কোরবানীর পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষনের জন্য তদারকি ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ অব্যহত রেখেছে কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তর। যথাযথভাবে পশুর চামড়া সংরক্ষনের জন্য কোরবানীর ঈদের আগে থেকে শুরু করা হয়েছে প্রচার-প্রচারনা। এখনো চলছে তদারকি ও পরামর্শ প্রদান। এ কারনে এ বছর চামড়ার অপচয় কমে গেছে। কুমিল্লায় সঠিক ও যথাযথভাবে সংরক্ষিত হচ্ছে কোরবানীর পশুর চামড়া ।

গতকাল শনিবার কোরবানীর পর থেকে আজ রবিবার পর্যন্ত ভোক্তা অধিদপ্তরের তদারিক চলছে। পাশাপাশি যারা চামড়া সংরক্ষন করছেন তাদের যে কোন সমস্যায় সঠিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

নগরীর ঋষিপট্টি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হরি ঋষি জানান, ভোক্তা অধিদফতরের কর্মকর্তারা ঋষিপট্টিতে এসেছেন। কোন সমস্যা আছে কি না জানতে চেয়েছেন। তারা বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা সেসব পরামর্শ কাজে লাগিয়ে চামড়া সংরক্ষন করছি।

পশুর চামড়া তদারকির বিষয়ে জানতে চাইলে ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে ঈদের আগে থেকে চামড়া সংরক্ষনের বিষয়ে প্রচার-প্রচারনা শুরু করি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ছাপানো লিফলেট বিতরণ করি। লিফলেটগুলোতে ছিলো কিভাবে পশুর চামড়া সংরক্ষন করা হবে সেসব নিয়ামাবলি। প্রচার-প্রচারনার পর এখন তদারকি শুরু করেছি। গতকাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় চামড়া সংরক্ষন পরিদর্শন করি। আজ রবিবার জেলার আদর্শ সদর, সেনানিবাস এলাকা, সদর দক্ষিণ, লালমাই, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন চামড়ার আড়তে কোরবানীর পশুর চামড়া সংরক্ষণের বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করি।

কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম আরো জানান, স্থানীয়ভাবে অনেকে পশুর চামড়া ক্রয় করেছেন। তারা এখন যথাযথ নিয়ম মেনে চামড়া সংরক্ষন করছেন। তাদেরকে বলেছি যদি কারো চামড়া বিক্রি করতে সমস্যা হয় তাহলে যেন তারা ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানায়। ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে পাইকারদের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়া হবে।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!