কুষ্টিয়ায় গৃহবধুর মরদেহ ও রগ কাটা যুবকের লাশ উদ্ধার

জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।।

251
কুষ্টিয়ায় পায়ের রগ কাটা রেজাউল ইসলাম (৩০) লাশ উদ্ধার ও দৌলতপুরে শিখা খাতুন (২৮) নামে এক গৃহবধুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত গৃহবধু উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর রিফুজিপাড়া গ্রামের সোহেল হোসেনের স্ত্রী। সে দুই সন্তানের জননী ছিল।
স্থানীরা জানায়, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সোহেল তার স্ত্রী শিখা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা শেষে তার মৃতদেহ ঘরের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ঘরের মধ্যে শিখা খাতুনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ নিহত গৃহবধুর মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়। গৃহবধু শিখা খাতুনের মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান জানান, নিহতের গলায় দাগ রয়েছে। হত্যা না আত্মহত্যা এ মুহুর্তে কিছু বলা যা্েচ্ছ না। ময়না তদন্তের জন্য নিহত গৃহবধুর মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হবে। ময়না তদন্তের পর জানা যাবে।
এছাড়াও কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার আব্দালপুর ইউনিয়নের দেড়িপাড়া গ্রামের এক মাঠ থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহত রেজাউল ইসলাম (৩০) আব্দালপুর গ্রামের মসলেম হকের ছেলে। তিনি পেশায় কাঠ ব্যবসায়ী ছিলেন। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি জাহাঙ্গীর আরিফ ঘটনার জানান, দেড়িপাড়া গ্রামের মাঠে লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ সময় নিহতের পরিবারের সদস্যরা এসে লাশ শনাক্ত করেন বলে জানান তিনি। পরিবারের সদস্যদের উদ্ধৃত করে ওসি জানান, কাঠ ব্যবসায়ী রেজাউল মঙ্গলবার বিকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি।“তার দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়েছে।
“প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে রেজাউলকে রাতে দুর্বৃত্তরা হত্যা করেছে পুলিশ। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ