কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভা নতুন চার মেয়র প্রার্থী নৌকার টিকেট চাইছেন

শান্তনু হাসান খান (বিশেষ প্রতিনিধি)

336

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে কুড়িগ্রাম জেলার সদর, নােেগশ^রী ও উলিপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে। এবার দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিানের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ডিসেম্বর থেকে কয়েক ধাপে ২৩৪ টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের আয়োজন চলছে। এর পর আগামী বছরের মার্চে ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা চলবে।

তবে চলতি বছর অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশে বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর সেই আলোকে দেশে বর্তমানে তিনশর বেশি পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর একযোগে ২৩৪ টি পৌরসভায় ভোট হয়। অন্যান্য পৌরসভার ভোট মেয়াদ অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর যেসকল পৌরসভাগুলোর ভোট হয়েছিল তার বেশির ভাগের মেয়র ও কাউন্সিলররা পরের বছরের জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি মাসে শপথ নেন। ফেব্রæয়ারির মধ্যে তাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রæয়ারিতে এসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর সেই আলোকে এবার উলিপুর পৌরসভা নির্বাচন চূড়ান্ত। ১৯৯৮ সালে ঘোষনার পর পদাধিকার বলে টি.এন.ও ছিলেন পৌর প্রশাসক। আর নয়টি ওয়ার্ডকে বিভাজন করে সহায়তা কাউন্সিলর হিসেবে ১২ জন ব্যক্তি বহাল ছিলেন। আর তখন প্রশাসক ছিলেন টি.এন.ও।

এরপর গোলাম হোসেন, হায়দার আলী, আব্দুল হামিদ এবং শেষ বর্তমান মেয়র আবু আলা তারিক চৌধুরী। ৩য় শ্রেনী থেকে ২য় শ্রেণীতে উন্নীত হলেও এর মান উন্নয়নে কারো ভূমিকা ছিল না। যা করেছেন সবটাই ছিল সরকারি রুটিন ওয়ার্ক মাত্র। ৯টি ওয়ার্ডে সবখানে স্ট্রিট লাইট নেই। নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা। জলবায়ু প্রকল্পের কোটি টাকা বরাদ্দ না থাকায় ড্রেনেজ সিস্টেম খুব ভালো না। ময়লা নিষ্কাশনের জন্য কোনো ডাম্পিঙ স্টেশন নেই। সর্বোপরি একটা মাঝারি অবগাঠামো নগরায়ন গড়ে তুলতে সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। তবে আশার বাণী শোনাচ্ছেন আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা। দলের নীতি নির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নেবেন- নৌকার টিকেট কে পাবেন? তবে এই মূহুর্তে ৪জন দলীয় প্রার্থী রয়েছেন। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রভাষক নিমাই সিনহা, আলহাজ¦ আব্দুল মজিদ হাঁড়ি, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ সরকার ও শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মশু।

আব্দুল মজিদ হাড়িঁ উলিপুরের ভোটর। পড়;াশোনা রংপুর পলিটেকনিক কলেজ থেকে। ছাত্র অবস্থায় ছাত্রলেিগর সক্রিয় সদস্য ছি^লেন। স্কুলে পড়ার সময় ৬ দফা ও ১১ দফা আন্দোলনসহ আইয়ুব বিরোধী সকল আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় সীমান্তের ওপারে চলে যান। দীর্ঘীদিন পর জেলরা আওয়ামী লীগের দুই মেয়োদের ১৪ বছর সভাপতি ছিলেন। গতবার উপজেলা পরিষদ নির্বাৃচনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করলে দলীয় কোন্দলে কোনঠাসা হওয়ে পড়েন।

আবু সাইদ সরকার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং উরিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক আবু সাইদ সরকার তারুন্যের প্রতীক নিযে এবার মেয়র নির্বাচন করবেন্। তবে বর্তমানে সে একজন কাউন্সির্ল একসময চাত্রলীগের এবং আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদ¯্য থেকে বিভিন্ন আন্দোলন করেছেন। টানা ১০ বছর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে উলিপুরের তরুন সমাজকে এক নৌকায হাজির করান্। তিনি বলেন- অতীতের পলিটিক্যাল ক্যারিয়ারে স্থানীয় সরকার নিবাৃচন সিলেকশন কমিটি তথা আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উনশাল্লাহ্ আমাকে নমিনেটেড করবেন।

প্রভাষক নিমাই সিনহা একসময় রংপুরের কারমাইকের কলেজে তুুখোর ছাত্রনেতা ছিলেন। ছিলেন ছাত্র লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের মধ্য দিয়েই তার রাজনীতিতে উত্থান। বর্তমানে তিন মেয়াদের দপ্তর সম্পাদক। তিনি বলেন- সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করেছি। আর বর্তমানে াআমার নেত্রী শেখ হাসিনা ইস্পাত কঠিন সিদ্ধান্তের প্রতি অঘাত শ্রদ্ধাবোধ রেখে উন্নয়নের রাজনীতি করছ্।ি সুযোগ পেলে উলিপুরকে ঢ়েলে সাজাবো। অতীকেতর মেয়ররা সবাই ছিলেন সিভিল সোসাইটির। কেউ চৌকষ রাজনীতিবিদ ছিলেন না।

মাত্র ২৭.৩৪ বর্গকিলোমিটারের উলিপুর পৌরসভাতে ৯ টি ওয়ার্ড। একানে আঞ্চলিকতার প্রভাবটা কাজ করবে অনেকের ক্ষেত্রে। তগবে সবাই স্থানীয় এমপি অধ্যাপক এম.এ মতিন কে সঠিক দিক নির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতার উপর ভর সকরে আগামী দিনের নৌকার টিকেটের প্রত্যাশা করছেন।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!