ক্ষুদে শিশু রাতা রহমানের প্রাচীন লিপি ভাবনা ও চর্চা

স্টাফ রিপোর্টার।।

55
মাত্র ১৩ বছর বয়সী এক ছোট্ট মেয়ে রাতা রহমান। জন্ম তার ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলাস্থ হাদল গ্রামে তার পৈত্রিক নিবাস। বর্তমানে তিনি শেরে-বাংলা-নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। একই স্কুল থেকে সে গত বছর জে এস সি পাশ করেছে।
পড়াশুনার পাশাপাশি সে নাচ, গান, গিটার, মার্শাল আর্টসহ অন্যান্য কারিকুলামে দক্ষ ও আগ্রহী। ইতিমধ্যে তার নাচ ও গান বিটিভিতে সম্প্রচার হয়েছে। তার পিতা ড. মোঃ আতাউর রহমান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার মাতা কিশোরগঞ্জের অধিবাসী ময়মনসিংহ বেসরকারি কলেজে দীর্ঘ ১২ বছর অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা দুই সন্তানের জনক প্রথম সন্তান অথৈ মাহমুদ, দ্বিতীয় সন্তান রাতা রহমান।
তাদের এই দ্বিতীয় সন্তান রাতা রহমান তার মায়ের সাথে গত সপ্তাহে তার পিতার কর্মস্থল কুমিল্লার ময়নামতি জাদুঘরে আসেন। দেশে যখন সকল জায়গায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সকল স্তরের জনগণ হোম কোয়ারেইন্টাইনে তখন এই ক্ষুদে শিশু রাতা রহমান তার পিতা-মাতার গবেষণাধর্মী কর্মকান্ডের উত্তরাধীকারী হিসেবে ময়নামতি জাদুঘর ও শালবন বিহারসহ আশেপাশের প্রত্নতাত্ত্বিক সাইটগুলোর রপ্ত করা বিবরণ প্রাচীন যুগের ন্যায় শালবন বিহারের বিভিন্ন গাছের বাকল/ছাল এর উপর নিজের ভাবনা প্রকাশ করেন।
তার এই ভাবনা সত্যিই আমাদের তাক লাগিয়ে দেয়। তার এই চিন্তাশক্তির মাধ্যমে সে ভবিষ্যতে দেশের একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হয়ে গড়ে উঠবে এবং অন্যান্য সকলের অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বন্দী অবস্থায় এই প্রাচীনলিপি ভাবনা দেখে তার পিতা-মাতা মুগ্ধ ও আবেগআপ্লুত হন। পরিশেষে তারা এই ছোট্ট সোনামনির জন্য উজ্জল ভবিষ্যত কামনায় দোয়া করেন।
আরো পড়ুনঃ