গোলাপগঞ্জ কে ডিজিটাল পৌরসভা নির্মানে মেয়র রাবেলের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে

শান্তনু হাসান খান, বিশেষ প্রতিনিধি।।

600

এবার দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ডিসেম্বর থেকে কয়েক ধাপে ২৩৪ টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের আয়োজন চলছে। এর পর আগামী বছরের মার্চে ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা চলবে। তবে চলতি বছর অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশে বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর সেই আলোকে দেশে বর্তমানে তিনশর বেশি পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর একযোগে ২৩৪ টি পৌরসভায় ভোট হয়। অন্যান্য পৌরসভার ভোট মেয়াদ অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর যেসকল পৌরসভাগুলোর ভোট হয়েছিল তার বেশির ভাগের মেয়র ও কাউন্সিলররা পরের বছরের জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি মাসে শপথ নেন। ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর সেই আলোকে এবার সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌর নির্বাচনের প্রার্থীরা মাঠে আছেন। গোলাপগঞ্জ পৌরসভার বর্তমান মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল সহ আরো বেম কযেকজন আছেন, যারা গত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। ২০০১ সালে গোলাপগঞ্জ পৌরসভার সৃষ্টি। এখানে বর্তমানে ২৬ হাজার ভোটার। দায়িত্ব লাভের পর পৌনে পাঁচ বছরের কর্মকান্ড কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেননি।

আমিনুল ইসলাম গোলাপগঞ্জের ভোটার। পড়াশোনাটা গ্রাম থেকেই। ছাত্র অবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতির পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়াকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে তিনি যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আর বতৃমানে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সিলেকশন কমিটি তথা আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার অতীতের পরিটিক্যাল ক্যারিয়ার আর জন সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে দলীয়ভাবে নমীনেটেড করবেন। আর দলীয়ভাবে নির্বাচনে আমি যেকোনো প্রর্থীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে পুনরায় জয়ী হতে পারবো ইনশাল্লাহ্। তিনি বলেন- আমি নিজে গ্রুপিংয়ের রাজনীতি করিনা। কাউকে করতে উৎসাহ দেই না। তিনি বলেন- মাদক, সন্ত্রাস আর জঙ্গীবাদ এই তিনটি হচ্ছে উন্নয়নের প্রধান বাধা। মাদকের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স।

এদিকে আওয়ামী লীগের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মীরা দলীয়ভাবে পুনরায় মেয়র হিসেবে রাবেলকেই পছন্দের তালিকায় রেখেছেন। কেননা তার ইমেজ সৃষ্টি হযেছে অনেকগুলো ভালো কাজের জন্য। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসে প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ছাড়াও ১হাজার সাতশ মানুষকে ত্রাণ সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও তার প্রবাসি বন্ধুদের মাধ্যমে ১৭ লাখ টাকার ত্রাণ সগযোগিতা করেছেন। এখানে বর্তমানে ২৬ হাজার ভোটারদের মাঝে ১৮% নবীন ও দলীয় নেত কর্মীরা আগামেিত তাকে জয়ী করতে এখন থেকে তার পিছনে একাট্টা। রাবের বলেন- আমি দলীয় প্রার্থী হিসেবে আগামীতে নমীনেটেড হয়ে উন্নয়নের জন্য জনগনের সহযোগিতা পাবো বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আর সেই বিশ্বাসের উপর ভর করে গোলাপগঞ্জকে বাসযোগ্য, নাগরিক সুবিধা প্রদান করে একটি ডিজিটাল পৌরসভা বানাতে সচেষ্ট হব।

তিনি বলেন, আমার পলিটিকের ক্যারিয়ারে কারো কোনো বদনাম নাই। সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে আসছি । এবার চাইব ২য় মেয়াদের মেয়র হয়ে কিছু একটা অবদান রাখতে। এখানে ২৬ হাজার ভোটার আছেন। তাদের নাগরিক জীবনের চাহিদা পূরণে, আর জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চাই। গোলাপগঞ্জ পৌরসভার ড্রেনেজ সিস্টেম, ড্যাম্পিং ব্যবস্থাসহ স্ট্রিট লাইট ও পয়ঃনিষ্কাশন আরো উন্নত করা হবে, তবে সেটা বাজেট ও বরাদ্দের ওপর নির্ভর করে।

গোলাপগঞ্জ সমৃদ্ধশালী ছোট পৌর শহর। এখানে কয়েক কোটি টাকার উন্নয়নের কাজ হয়েছে ইতিমধ্যেই। তিনি বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আর নেত্রীর ভিসন ২০২১ কনসেপ্টকে সামনে রেখে তথ্য উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় নেতৃত্ব দিচ্ছেন- এ টু আই অর্থাৎ এক্সেস টু ইনফরমেশনের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মানের। আমার পৌর সভাতেও সকল কার্যক্রম অনলাইনের উপর ভিত্তি করে চলছে। আমিও চাইব আগামীতে আমার গোলাপগঞ্জকে ডিজিটাল পৌরসভা নির্মানে।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!