চরফ্যাশনে মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষক পরিবার

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি।।

33
চরফ্যাশনের জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরুল হাছান মাষ্টারের বিরুদ্ধে তার বড় ভাই’র স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন কামরুল মাষ্টারের স্ত্রী খাইরুন্নাহার।
গত শনিবার আছরবাদ সংবাদ কর্মীদের অস্থায়ী কার্য্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন আনুষ্টিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খাইরুন্নাহার বলেন, তার স্বামী কামরুল হাছান মাষ্টার একজন আর্দশ শিক্ষক। অত্যান্ত শুনামের সহিত তিনি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। আমার ১৩ বছরের দাম্পত্য জীবনে দুই ছেলে রয়েছে। আমার জানামতে আমার স্বামী কোন অৎসত কাজের সাথে কখনো জড়িত হননি। শিক্ষকতার পাশাপাশি নিজকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েন।
এর ধারাবাহিকতায় আমার স্বামীর আপন বড় ভাই শাহে আলম মাষ্টার সহ “শ্যামলি ট্রেডার্স” নামক একটি যৌথ আড়ৎ প্রতিষ্ঠা করেন। যৌথ ব্যবসায়িক কজে শাহে আলম মষ্টার আমার স্বামীর কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। ওই টাকা ব্যবসায়িক কোন কাজে খরচ না করেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন। যার প্রমান হিসেবে শাহে আলম মাষ্টারের নিজের হাতের লেখাই বিদ্যমান। মৃত্যুর পর ওই টাকা সহ যৌথ ব্যবসার কাজে ব্যাবহৃত টুকিটাকি মালামাল ফেরৎ চাইলে তার স্ত্রী ও স্বজনরা টালবাহানা শুরু করে।
পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য আমার স্বামী কামরুল মাষ্টার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার জন্য ফন্দি আটে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৪ এপ্রিল ২০২০ ইং তারিখে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে চরিত্র হননের অভিযোগ এনে চরফ্যাশন স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের নিকট এসে মিথ্যা অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সংবাদকে পুজি করে একই দিনে মৃত শাহে আলম মাষ্টার’র স্ত্রী বাদী হয়ে কামরুল হাছান মাষ্টারকে বিবাদী করে চরফ্যাশন থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। যাহার নং জি,আর ৮৪/২০ (চ)। ওই মিথ্যা মামলায় থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদ ও মিথ্যা মামলার প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য দুলাল, খাইরুন্নাহারের ভাই আঃ রহমান, ভগ্নিপ্রতি শাহাজান হাং, দুলাল খন্দকার, ভাগিনা জাকির, মামুন, রণি, বাতিজা রাফসান, আসিক, সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আরো পড়ুনঃ