ড. জয়নাল আবেদীন ছিলেন আপসহীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী

স্টাফ রিপোর্টার।।

153
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,শহীদ সন্তান, বীর মুক্তিযুদ্ধা ড. জয়নাল আবেদীন স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভিক্টোরিয়া কলেজ বাংলা বিভাগের অায়োজনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ফাতেমা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিভাগের শিক্ষক মশিউর রহমান ভূইয়া, মোহাম্মদ শাহজাহান, জীবন বৃত্তান্ত পাঠ করেন নিশাদ পারভীন।
রিতা রাণী সরকার, মোফাজ্জল হায়দার মজুমদার,অধ্যক্ষ এমদাদুল হক পলাশ, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জুয়েল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, সাংবাদিক মোতাহের হোসেন মাহবুব, রতন ভৌমিক প্রণয়, হিসাবে বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান কাজী মুজিবুর রহমান, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ওমর ফারুক, বাংলা বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক সেলিনা রহমান, নওয়াব ফয়জুন্নেসা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ সিদ্দিকী, শিক্ষাবিদ ও লেখক শান্তি রঞ্জন ভৌমিক, সাবেক অধ্যক্ষ লাকসাম নওয়াব ফয়জুন্নেসা কলেজ প্রফেসর কবির চৌধুরী, কুমিল্লা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ইন্দু ভূষণ ভৌমিক, মরহুমের ছেলে ডা. শরীফুল আবেদীন কমল।
বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদা বেগম তোফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজ উপাধ্যক্ষ ড. আবু জাফর খান, সম্মানীয় অতিথি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আমির আলী চৌধুরী । প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন ভূইয়া।
ড. জয়নাল আবেদীনে জীবন ও কর্মের স্মৃতিচারণ করে বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন আপোষহীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী। মিথ্যার সাথে কখনো আপস করেননি। শিক্ষার পাশাপাশি জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তার ভূমিকা ছিল।তিনি ছিলেন ছাত্র নেতা , শিক্ষক নেতা। বারবার সুযোগ এলেও কখনো শিক্ষকতা ছেড়ে কুমিল্লা ছেড়ে যাবার ইচ্ছে পোষণ করেন নি। বিসিএস অন্য ক্যাডার পেলেও শিক্ষকতা ছেড়ে যাননি কখনো অফিসার হতে চান নি। তিনি ছিলেন সিংহ পুরুষ, তারমতো সাহসী শিক্ষক খুব কমই দেখা যায়।
বক্তারা আরও বলেন ড. জয়নাল স্যার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, বাংলা বিভাগের উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে গেছেন। তিনি এমনই ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন অধ্যক্ষগণ সকল বিপদে স্যারকে পাশে রাখতেন। এ প্রসঙ্গে তার শিক্ষক আমির আলী চৌধুরী স্যার বলেন উপাধ্যক্ষ অধ্যক্ষ থাকাকালীন ড. জয়নালের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি তা আর কারো কাছ থেকে পাইনি। ছাত্র প্রিয় এই শিক্ষকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কলেজের শিক্ষক ওয়ায়েছ আল কার্নি।
আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!