তিতাসের মাছিমপুরে জাতীয় শোক দিবস পালন

51

হালিম সৈকত, কুমিল্লা।। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী।
জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে পালন করেছে দিনটি। তবে এবার বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করা হয়েছে তিতাস উপজেলাসহ সারাদেশে।

এর মধ্যে ৫ নং কলাকান্দি ইউনিয়ন আ’লীগের নেতৃত্বে মাছিমপুর বালুর মাঠে পালন করা হয়েছে শোক দিবস। তিতাস উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলম সরকারের নেতৃত্বে পালিত শোক দিবসের কর্মসূচী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন কুমিল্লা -২ আসনের (তিতাস- হোমনা) এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী।

পরে তিতাস উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার, তিতাস উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসীন ভূইয়া ও ৩নং বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুর নবী সাধারণ মানুষের মধ্যে খিচুড়ি বিতরণ করেন ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করে । এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলাকান্দি ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন, কলাকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ মিয়া, ডালিম সরকার, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা গাজী শাহজালাল, জামাল সরকার, অরুণ দাশ ও ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ফারুক মাহমুদসহ অন্যান্য অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা উত্তর জেলা শাখার অন্যতম সদস্য হালিম সৈকত। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাছিমপুর বাজার মসজিদের পেশ ইমাম আলাউদ্দিন সালেহী। অনুষ্ঠানে ১৬ ডেক খিচুড়ি পুরো মাছিমপুর গ্রামে সাধরণ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ ও মেয়ে বেবি, সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!