পঞ্চগড়ে নেসকোর প্রকৌশলী আতিফুরের বিরুদ্ধে কর্মচারীদের বেতনের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

ডিজার হোসেন বাদশা, পঞ্চগড় প্রতিনিধি।।

59

নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী পঞ্চগড় অফিসের পিচরেট কর্মচারীদের বেতনের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই নির্বাহী প্রকৌশলীর নাম আতিফুর রহমান । প্রায় তিন বছর থেকে পঞ্চগড় অফিসে কর্মরত রয়েছে। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তিনি কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরনসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তার অনিয়ম দূর্নীতির প্রতিবাদে ওই অফিসের পিচরেট কর্মচারীরা অফিসের সামনে আন্দোলন শুরু করে।

ঘুষ আর দূর্নীতির প্রতিবাদে তারা পঞ্চগড় শহরের শেরেবাংলা পার্ক চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করে। কিন্তু অজানা খুটির জোরে এখনও তিনি পঞ্চগড়ে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধে কথা বললে আর অনিয়মের প্রতিবাদ করলে দেয়া হয় মিথ্যা মামলা আর করা হয় চাকরিচ্যুত। আসাদুজ্জামান আপেল নামের এক পিচরেট কর্মচারী ওই অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমানের ঘুষ বানিজ্য ও অনিয়মের প্রতিবাদ করেছিলো। সে কারনে তার নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়।

ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম আর দূর্নীতির বিচারের দাবিতে নেসকোসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখনো তিনি বহাল তবিয়তে আছেন পঞ্চগড় অফিসে। সবশেষে পঞ্চগড় অফিসের পিচরেট কর্মচারীদের ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের বেতনের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠলো। পিচরেট কর্মচারীদের মিটার রেডিং এর প্রায় লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

এরমধ্যে আবিদুর রহমান আবিদের ৮ হাজার ৬শ, অনিকের ৫ হাজার, নজরুল ইসলামের ৫ হাজার, আজগড় আলীর ৭ হাজার, দুলাল ইসলামের ৯ হাজার, হাসানুর রহমানের ৯ হাজার, মোহাম্মদ আলীর ৯ হাজার ৫শ, সুজন ইসলামের ১৫ শ, সুয়েল রানার ৯ হাজার, রমজান আলীর ৩৫ হাজার, সুয়েল মালাদাসের ৯ হাজার ৪শ, সামসুর হকের ৬ হাজার ৫শ, মেহেদী হাসানের ১২ হাজার, সাইফুল ইসলামের ১২ হাজারসহ প্রায় ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫শ টাকা হাতিয়ে নেন। পিচরেট কর্মচারীরা মিটার রেডিং এর বকেয়া বেতনের জন্য পঞ্চগড় নেসকোর অফিসে বিক্রয় বিতরন বিভাগে আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনকারীরা বলেন সারা দেশের ৫২টি জেলা অফিসেই ডিসেম্বর মাসের বেতন দিয়েছে। শুধু পঞ্চগড় অফিসেই বেতন দেয়নি। তারা আমাদের বেতনের টাকা না দিয়ে অফিসের লোকজন ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে। এব্যাপারে পঞ্চগড় নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমানের সাথে অফিসের সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ও মুঠোফোনে কল দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!