পরিস্থিতির উন্নতি না হলে পরিবহণ বন্ধের ঘোষনা

মঈন উদ্দিন রায়হান।।

৬৩

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর সালনা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কের ¯স্লথ গতির উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফলে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ নিরসন অবিলম্বে দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি ও জিলা মটর মালিক সমিতি।

রবিবার (২ জানুয়ারী) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন জিলা মটর মালিক সমিতি সভাপতি মমতাজ উদ্দিন মন্তা।
এ সময় উপস্থিত দি ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি ও এফবিসিসিআই সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম, সিনিয়র সহ-সভাপতি শংকর সাহা, জিলা মটর মালিক মহাসচিব মাহবুবুর রহমান, সোমনাথ সাহা, দুধনাথ প্রসাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বক্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে দেশ উন্নয়নের শিখরে পৌছে যাচ্ছে। এত উন্নয়নের মাঝেও বৃহত্তর ময়মনসিংহের (ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোণা, শেরপুর ও কিশোরগঞ্জ) একমাত্র চলাচলের রাস্তা ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়ক এই অঞ্চলের মানুষের জন্য মহাদুর্ভোগ। ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুরের সালনা পর্যন্ত সোয়া ঘন্টা সময় লাগলেও মাত্র ৩০ মিনিটের পথ সালনা থেকে উত্তরা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার পথ যেতে থেকে ৫ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগে। এই রাস্তার কাজ ঢিলেঢালা এগুচ্ছে। দ্রæত এ সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।

সড়কের এমন বেহাল অবস্থার কারনে পাশাপাশি রাস্তাটির এই বেহাল অবস্থার কারণে রোগী পরিবহনে এম্বোল্যান্স, আমদানী-রপ্তানীসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল বহনে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি ও দ্রব্য মুল্যের উর্দ্ধগতি রোধ করা যাচ্ছে না কোনভাবেই। প্রতিদিন এই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনে কোটি টাকার উপর অতিরিক্ত জ্বালানী খরচ হচ্ছে। যা যানবাহনের মালিকের অর্থের অপচয় হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যপক উন্নয়নের মাঝেও কোথাও কোথাও উন্নয়ন হোচট খাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবহণ বক্তারা হুসিয়ারী দিয়ে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আগামী ১৫ জানুয়ারী থেকে বৃহত্তর ময়মনসিংহের (ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল) যান চলাচল বন্ধ করা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।

ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের সহ সভাপতি আমিনুল হক শামীম সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের আলোকে বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এখন মহাদুর্ভোগ। এই রাস্তাটির উন্নয়নে ৩ বছর মেয়াদ হলেও তা এখন ৬ বছর চলছে। তিনি আরো বলেন, আমরা রাতারাতি উন্নয়ন চাইনা, চলাচল উপযোগী চাই। দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগের হাত থেকে এই অঞ্চলের মানুষকে মুক্তি দিতে প্রয়োজনে কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হউক।

আহসানুজ্জামান সোহেল/অননিউজ24।।

আরো দেখুনঃ
error: Content is protected !!