পশ্চিমবঙ্গে আম্পানের আঘাতে ৭২ জন নিহত

42

অনলাইন ডেস্ক।। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেই সঙ্গে আম্পান পরবর্তী রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও আহবান জানিয়েছেন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা’র।

বুধবার পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রলঙ্কারী এ ঝড়ের ফলে বেশ ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের এ রাজ্যটি।

তবে এ দিন টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, গোটা দেশ পশ্চিমবঙ্গের পাশে আছে।

মোদী আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে আম্পান যেভাবে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, সেই দৃশ্য দেখেছি। এই সঙ্কটময় মুহূর্তে গোটা দেশ পশ্চিমবঙ্গের পাশে আছে।

রাজ্যের মানুষের শুভ কামনা করছি।’

তিনি আরও জানান, এই চ্যালেঞ্জিং মুহূর্তে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করা হবে বাংলাকে।

পরে আরও একটি টুইট করে মোদী বলেন, ‘জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে কাজ করছে।

শীর্ষ আধিকারিকরা গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করতে চেষ্টার কোনও কসুর করা হবে না।’

গত বুধবার ‘অতি মারাত্মক’ ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়ে আম্পান। ঝড়ের তাণ্ডবে তছনছ হয়ে যায় উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি-সহ দক্ষিবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার গতি ছিল আম্পানের। কোথাও আবার এর গতি উঠেছিল ১৮৫ কিলোমিটার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সব হিসেব উল্টে গিয়েছে। কারও ভবিষ্যদ্বাণী মিলল না। পুরোটা বাংলার উপর দিয়ে গেল। করোনার জন্য অর্থনীতির অবস্থা শেষ। তারপর এই দুর্যোগ। কোনও রোজগার নেই। পুনর্গঠন করতে অনেক টাকা লাগবে।’

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!