বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস পালিত

মাহফুজ নান্টু।।

70
কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার আয়োজনে বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল রোববার সকালে নগরীর সিটি পার্ক সংলগ্ন বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (আন্তর্জাতিক কর) হাফিজ আহমেদ মুর্শেদ। শোভাযাত্রায় কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লা অধীন ৬ টি বিভাগীয় ভ্যাট অফিসের মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডার স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রায় কাস্টমস বিষয়ে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন বেলুন ইত্যাদির পাশাপাশি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি ও বাদক দলের পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।
পরবর্তীতে বেলা ১১টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম কমিশনার মোঃ মুশফিকুর রহমান, কী নোট বক্তব্য রাখেন উপ কমিশনার তপন চক্রবর্তী, অনুষ্ঠানে কাস্টমস দিবসকে কেন্দ্র করে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আখাউড়া সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোবারক হোসেন ভূঁইয়া, কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক জামাল আহম্মেদ, কর অঞ্চল কুমিল্লার কর কমিশনার মোঃ মাহাবুবুর রহমান, বাংলাদেশ পল্লাী উন্নয়ন একাডেমীর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ শাহজাহান।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (আন্তর্জাতিক কর) হাফিজ আহমেদ মুর্শেদ। সভাপতির বক্তব্য রাখেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার কমিশনার মো: আজিজুর রহমান।
ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, কাস্টমস এখন ডিজিটালাইজড হয়েছে। ভারতে বিভিন্ন পন্য রপ্তানি প্রক্রিয়া আরো সহজ করার জন্য প্রয়োকজনীয় ভূমিকা রাখার জন্য কাস্টমসকে আহবান জানান। বিবিরবাজার, আখাউড়া ও বিলোনিয়া স্থলবন্দর দিয়ে আমদানী প্রক্রিয়াও সহজ করার আহবান জানান।
প্রধান অতিথি বলেন, মেধাবী অফিসারেরা বিসিএসের মাধ্যমে কাস্টমসে আসেন। কাস্টমসকে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধ করার জন্য তারা কাজ করছেন। কাস্টমসের মানোন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মূলক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। দেশের রাজস্ব আহরণে যে সকল প্রতিবন্ধতা রয়েছে সেগুলো চিহ্নত করে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন বন্দরে যাত্রীদের সাথে এবং ভ্যাট দাতাদের সাথে কোন প্রকার অযাচিত আচরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। একজনের জন্য যাতে পুরো কাস্টমসের বদনাম না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সেমিনারে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার আওতাধীন ফেনী, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষীপুরের ৬টি বিভাগীয় অফিসের কর্মকর্তা এবং ওই ছয় জেলার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরো পড়ুনঃ