বাতাস এলেই নড়েচড়ে উঠে বাঞ্ছারামপুর বন কর্মকর্তার অফিস

51

মোঃ রাসেল আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে গাছ হচ্ছে সবচেয়ে বড় সম্পদ। সেই গাছ দেখা- শুনার জন্য প্রতিটি উপজেলায় একজন করে বন কর্মকর্তা রয়েছেন। অফিস দেখে বোঝা যায় এটি একটি কুড়ে ঘর, নেই যেন তার খুটি। যে কোনো সময় শুকনো পাতার মত বাতাসে উড়িয়ে যেতে পারে। বলছিলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বন বিভাগের অফিসটির কথা। র্দীঘদিন যাবত অফিসটি জরাজীর্ণ অবস্থা, যে কোনা সময় ধসে পড়তে পারে। ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

অফিস সূত্রে জানা যায়, ৮ ফিট বাই ১০ ফিট রুমে অফিস। অফিসটিতে একজন বন কর্মকর্তা এবং একজন সহকারি কর্মরত রয়েছে। তারা উপজেলার ১২৭টি গ্রামের সরকারি সম্পদ গাছ দেখেশুনা করে আসছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসটি কে দেখে মনে হয় এটি একটি কুড়ে ঘর। দেওয়ালে ধরছে পাটন, ঘরের টিন গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলে তা দিয়ে পানি পড়ে। দরজা জানালা গুলো খুসে পড়ছে। খুটি গুলো নেই ঠিকঠাক। যেকোন মূহুর্তে ঘরটি মাটিতে লুটিয়ে পরতে পারে। ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

স্থানীয়রা বলেন, ছোটবেলা থাইকা (থেকে) দেইখা আইতাছি ( দেখতাছি) ঘরটি লক্কর-ঝক্কর। অনেক অফিস উন্নত হইছে কিন্তু বন বিভাগের ঘরটি আর নতুন হইলো না। উপজেলায় এমন জরাজীর্ণ অফিস আর একটিও নাই।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বন কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, আমি ঠিকমতন অফিসে বসে অফিসের কাজ করতে পারি না। কেননা সবসময় মনের ভিতর একটা ভয় থাকে কখন যেন ঘরটি আমার মাথার উপরে পরে। তবে আমি এ বিষয়ে আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করেছি।

এ ব্যাপারে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার বলেন, জাতীয় বন সম্পদের বিকাশে বন কর্মকর্তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। সেই তাদের অফিস কক্ষটি জরাজীর্ণ। আমি এখানে দায়িত্বরত বন বিভাগের কর্মকর্তার সাথে কথা বলে অফিস কক্ষটি নতুন সংঙ্কার করার জন্য চিঠি লিখব।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!