বিশ লাখ টাকা চাঁদা তুলেও এলাকায় ত্রাণ দেননি কাউন্সিলর ফোরকান!

অনলাইন ডেক্স।।

29
নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন সারাদেশ। ঘরবন্দি নিম্ন আয়ের মানুষের কাজ নেই। কর্মহীন হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। এ ক্ষেত্রে দিনমজুর, শ্রমিকসহ নিম্নআয়ের মানুষেরা পড়েছেন খুবই বিপাকে।
এমন দুঃসময়ে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এলাকার চিত্রটা একটু বেশিই খারাপ। কম আয়ের সাড়ে তিন হাজার পরিবারের বাস ঢাকা উত্তর সিটির ২৮ নম্বরের এই ওয়ার্ডটিতে।
ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফোরকান হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সম্পদশালীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েও সমপরিমাণ ত্রাণ দেননি। এলাকার ঘরবন্দি নিম্ন আয়ের বেশিরভাগ মানুষই কোনো সহায়তা পাননি। আর যারা ত্রাণ পেয়েছেন তারা সবাই কাউন্সিলরের লোক বলে পরিচিতি।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে জানা যায়, স্থানীয় এক সাবেক এমপি কাউন্সিলর ফোরকানকে দিয়েছেন দুই লাখ টাকা। সিটি করপোরেশন থেকে পেয়েছেন সাড়ে লাখ লাখ টাকা। এছাড়াও ত্রাণের কথা বলে চাঁদা তুলেছেন তিনি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা।
অথচ এলাকার বেশির ভাগ দরিদ্র মানুষের দাবি, গত ১৩ দিনেও কেউ যাননি তাদের খোঁজ নিতে। দেননি কোনো খাদ্য সহায়তা। তবে কাউন্সিরের দাবি, এ পর্যন্ত ১৫০০ প্যাকেট খাবার বিতরণ করেছেন। তার মধ্যে ৫০০ প্যাকেট সিটি করপোরেশন দিয়েছে।
কাউন্সিলর ফোরকান বলেন, সরকারিভাবে আমাদের কোনো ত্রাণ আসেনি। আমাদের মাননীয় মেয়র মহোদয় ৫০০ প্যাকেটের একটা অ্যারেঞ্জ করেছে।
কাউন্সিলরের দাবি, খাবার বিতরণে কোনো সংগঠন বা কোনো ব্যক্তি তাকে সাহায্য করেননি। তিনি বলেন, ধনাঢ্য ব্যক্তি যারা দিচ্ছেন তারা ব্যক্তিগতভাবেই দিচ্ছেন। কেউ কারো মাধ্যমে দিচ্ছেন না।
আরো পড়ুনঃ