ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে হত্যা : আটক ৬, আদালতে স্বীকারোক্তি একজনের

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি।।

14

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে নূর আলম (১৮) নামের এক হোটেল ব্যবসায়ীকে হত্যা ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুল মজিদ বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।নিহত নুর আলম সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের দর্পগ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে।

ছাতক থানা পুলিশের সহায়তায় নুর আলম হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার সকালে সিলেটের কদমতলী থেকে উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের জিরারগাঁও গ্রামের গুলফর আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম (২১) এবং লক্ষীপুর ইউনিয়নের জিরারগাঁও থেকে আব্দুস সাত্তারের পুত্র সুজন মিয়া (৪০), মমশর আলীর পুত্র উমর গনি (২৫) ও ওসমান গনি (৩০) কে আটক করা হয়েছে। একই গ্রামের গুলফত আলীর ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৭) ও সুজন মিয়ার স্ত্রী রুবিনা বেগম (২২) কেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

আটককৃত কামরুল ইসলামকে শনিবার বিকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেলাল আহমেদর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার বিকালে আটক জহিরুল ইসলাম ছাড়া আটককৃত অপর চারজনকে রিমান্ড চেয়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেছে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে জিরারগাঁও গ্রামের পাশে ফসলি জমি থেকে নূর আলমের লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। নুর আলম পশ্চিম বাংলাবাজারে (লিয়াকতগঞ্জ বাজারে) একটি রেঁস্তোরা ব্যবসা পরিচালনা করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় এক যুবক তাকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর আর ফিরেনি।

দোয়ারাবাজারে হোটেল ব্যবসায়ী নূর আলম হত্যাকান্ডে জড়িত ঘাতক কামরুল ইসলামকে শনিবার সকালে সিলেটের কদমতলী থেকে আটক করা হয়েছে। বিকালে সুনামগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
২) ওই হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে আটক সুজন মিয়া, উমর গনি,ওসমান গনি ও রুবিনা বেগমকে রোববার বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!