ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা শোকে মূহ্যমান হবিগঞ্জ

397

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১৭ জনের মাঝে শুধু হবিগঞ্জেরই রয়েছেন ৭ জন। এর মাঝে রয়েছেন মহিলা ও শিশু। নিহতদের কেউ চাকরির সন্ধানে, কেউ সমুদ্র দেখতে, আবার কেউ কর্মস্থলে ফিরছিলেন। সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া সন্তানের নাম রেখে আর কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি বানিয়াচংয়ের নির্মান শ্রমিক আল-আমিনের। আর স্ত্রী সন্তানের কাছে পৌছা হয়নি সদর উপজেলার আনোয়ারপুর গ্রামের আলী মোহাম্মদ ইউসুফের। এমন হৃদয় বিদারক ঘটনায় শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে হবিগঞ্জ। শোকাহত প্রশাসনের কর্মকর্তারাও। এদিকে নিহতদের পরিবারকে তাৎক্ষনিক ১৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। আর এক ছাত্রদল নেতা নিহত হওয়ায় বিএনপি পরিবারেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান বলেন, আমরা এখনও পর্যন্ত জেলায় ৭ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হয়েছি। প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া যেন তারা নিহতদের পরিবারগুলোর খোঁজ রাখেন। আহতদের বিষয়ে তথ্য নিতেও বলা হয়েছে। তাৎক্ষণিক নিহতদের দাফন কাফনের জন্য ১৫ হাজার টাকা করে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আহতদের তথ্য সংগ্রহের পর চিকিৎসা সহায়তা দেয়ারও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়েছে।


বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে গউছ বলেন, ট্রেন দুর্ঘটনা ইচ্ছে করে হয়নি। কারও না কারও গাফিলতি ছিল। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়। পাশাপাশি আমরা গভীরভাবে শোকাহত ছাত্রদল নেতা ইউসুফের মৃত্যুতে। হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান জানান, ইউসুফের মৃত্যুতে আমি এবং আমার পৌর পরিষদ শোকাহত। সে বিএনপি করতে পারে, কিন্তু সে অত্যন্ত ভদ্র ছেলে ছিল। তার পরিবারের যে ক্ষতি হয়েছে তা কারও পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!