মাদারীপুরে সীমান্তবর্তী দুই উপজেলার মধ্যে সংঘর্ষ আহত অর্ধশতাধিক

মাদারীপুর প্রতিনিধি।।

61

দুই কিশোরের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের রাজৈর ও ফরিদপুরের ভাংগা উপজেলার দুই ইউনিয়নবাসীদের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ৫ ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষ হয় । এ সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয় ।

সংঘর্ষ চলাকালে দোকান ও বসতঘরসহ ৫টি ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে । আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্য ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী মরা কুমার নদ দ্বারা বিভক্ত ঘারুয়া ইউনিয়নের রাজেশ্বরদী গ্রাম ও পাইকপাড়া ইউনিয়নের বৈরাগীর বাজার এলাকায় । দুই থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে ।

পুলিশ ও এলাকাবাসি জানায়,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাজৈর ও ভাংগা দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী মরা কুমার নদ দ্বারা বিভক্ত ঘারুয়া ইউনিয়নের রাজেশ্বরদী ও পাইকপাড়া ইউনিয়নের বৈরাগীর বাজার এলাকার ব্রীজের উপর কটুক্তি করে কথা বলাকে কেন্দ্র করে দুই এলাকার দুই কিশোর মেহেদী (২০) ও তহিদ (২০) এর মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয় ।

এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ লিপ্ত হয় । ৫ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষ চলাকালে রাজেশ্বরদী এলাকার দেলোয়ার হাওলাদার ও সাদেক হাওলাদারের একটি দোকান, দুটি বসতঘর ও দুটি রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগ করা হলে ৫টি ঘরই সম্পুন্ন ভস্মিভূত হয় ।

এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয় । আহতদের মধ্যে নওসাদ (২) রহিমা বেগম (২৫) মেরে বেগম (৪০) মফিজুর (১৪) কামাল (৪০) আফজাল (২৮), আলকাজ (৩৫) রাকিবুল (৩৫), আলী (৩৫), আউয়াকেসহ (৩০) অন্যান্যদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে । সংঘর্ষ চলাকালে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছে দুই চেয়ারম্যান ভাংগা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সফিউদ্দিন মোল্লা ও রাজৈর উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাদাত হোসেন । তারা আরো জানান, এব্যাপারে আপোষ মিমাংসার কথা হয়েছে ।

রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদী জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে । পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে । অভিযোগ পেলে আইনহত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!