মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সারাদেশের মধ্যে প্রথম পাবনার মিশরী মুনমুন

রাজিউর রহমান রুমী, পাবনা প্রতিনিধি।।

85

এমন ফলাফলের পেছনে আমার বাবা-মা ও শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য। সর্বোপরি মহান আল্লাহ আমাকে সম্মানিত করেছেন। আমি শুধুমাত্র আমার নিজের মেধা পরিশ্রম দ্বারা চেষ্টা করে গেছি। ভবিষ্যতে একজন ভাল চিকিৎসক হয়ে সাধারণ মানুষের সেবা করতে চান । ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় সারাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে এই প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন পাবনার মেয়ে মিশরী মুনমুন।

গত ০২ এপ্রিল তিনি পাবনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তার মোট প্রাপ্ত নাম্বার ২৮৭.২৫। মিশরী মুনমুন পাবনা শহরতলী রাধানগর নারায়নপুর মহল্লার মোঃ আব্দুল কাইয়ুম ও মোছা: মুসলিমা খাতুন দম্পতির মেয়ে। তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট মিশরী মুনমুন।বাবা মো: আব্দুল কাইয়ুম মিশরী মুনমুনের কৃতিত্ব অর্জনের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মিশরী মুনমুন পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে এসএসসি এবং পাবনা সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে ২০২০ সালে এইচএসসি পাশ করেন। দুটোতেই তিনি জিপিএ-৫ লাভ করেন।

মিশরী মুনমুনের বাবা আব্দুল কাইয়ুম স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সাধারণ ওয়ার্কার হিসেবে চাকুরী করেন। তার তিন মেয়ে। কোনো ছেলে নেই। বড় মেয়ে মেহেরাজ মুনমুন ডাক্তার। তিনি চুয়াডাঙ্গায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকির করেন। মেঝো মেয়ে মেহেরাব মুনমুন পাবনা সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজে রসায়ন বিভাগে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়েন।পাবনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বার জানান, মিশরী মুনমুন ছোট থেকেই মেধাবী ছিল। তৃতীয় শ্রেণিতে থেকে এসএসসি পর্যন্ত সে এখানেই পড়াশোনা করেছে।

সব সময় সে ক্লাসে প্রথমস্থান অধিকার করতো। মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় সে প্রথম হয়েছে জেনে আমরা খুবই আনন্দিত। সে পাবনার মুখ উজ্জ্বল করেছে। পাবনা সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির মজুমদার বলেন, আমরা খুবই গর্ববোধ করছি এই ফলাফলে। মুনমুন আরো অনেকদূর এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করি।মিশরী মুনমুনের বাবা আব্দুল কাইয়ুম ও মা মুসলিমা খাতুন জানান, মেয়েরা এমন ফলাফলে আমরা খুবই খুশি। সবার আগে আমরা চাই সে মানুষের মত মানুষ হোক।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!