যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর অবস্থান

অনলাইন ডেস্ক।।

78

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টেক জায়ান্ট ফেসবুক, টুইটার এবং ইউটিউব প্রার্থীদের বিজয় নিয়ে কোনো ধরনের ভুল তথ্য প্রচার করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তবে সামগ্রিকভাবে তাদের পদক্ষেপগুলো এখনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি প্রতিযোগিতায় প্রকাশিত সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারেনি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করবেন বলে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হোয়াইট হাউসে ভাষণ দেন। তিনি নির্বাচনের বিষয়ে ফেসবুক এবং টুইটারে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য পোস্ট করেছেন। ভোটদান সম্পর্কে তার ভিত্তিহীন সন্দেহ এবং ভোটগ্রহণের চূড়ান্ত নির্বাচনের ফলাফলের জন্য তার ইচ্ছা সম্পর্কে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

জনপ্রিয় ভিডিও-শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন টিকটক বলেছে যে কয়েকটি হাই-প্রোফাইল অ্যাকাউন্টগুলো থেকে নির্বাচনের জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে এমন কয়েকটি ভিডিও তারা সামনে এনেছে এবং তাদের মতে এই বিভ্রান্তিমূলক তথ্য অ্যাপের নীতি লঙ্ঘন করেছে।

ফেসবুক এবং ইউটিউবের নির্বাচন সম্পর্কিত পোস্টগুলো বেশিরভাগই ভুল তথ্য দিচ্ছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গুগলের মালিকানাধীন ইউটিউব ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের মন্তব্যগুলোর ভিডিও দেখিয়েছে। তবে গুগল ভিডিওগুলোর নিচে একটি “ইনফরমেশন প্যানেল” রেখেছিল।

যেখানে বলা ছিল যে নির্বাচনের ফলাফল চূড়ান্ত নাও হতে পারে এবং অতিরিক্ত তথ্যের সাথে গুগলের নির্বাচনী ফলাফলের পৃষ্ঠায় লিঙ্ক যুক্ত করে দেয়া হয়েছিল।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টুইটার এবং ফেসবুকের কার্যক্র কতটুকু কার্যকর হবে তা বলা যাচ্ছে না।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!