রংপুরে বাল্যবিবাহ ও দালালমুক্ত সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়ন গড়তে চান-সোহেল রানা

রুবেল ইসলাম, রংপুর প্রতিনিধি।।

93

রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর,চন্দনপাট ও সদ্যপুষ্করিনী এই তিনটি ইউনিয়নে গত ২০ শে অক্টোবর(মঙ্গলবার)ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনটি ইউনিয়নেই সাবেক চেয়ারম্যানরাই পূর্ণবহাল হয়,আবারও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিন বন্ধুকেই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন জনগন।

এবার সদর উপজেলায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতিক বরাদ্দ থাকলেও ভরাডুবি ঘটে জাতীয় পার্টির দূর্গ বলে খ্যাত এরশাদের লাঙ্গলের আর টানাটানি করে কোন রকমেই একটি ইউনিয়নে জয় ছিনিয়ে আনে সরকার দলীয় আওয়ামীলীগের নৌকা,তবে বাকি দুুইটি ইউনিয়নে তাদেরও ভরাডুবি ঘটে।

হরিদেবপুর ইউনিয়নে সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী ইকবাল হোসেন ঢোল প্রতিকে,চন্দনপাটে সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ মনোনিত নৌকা প্রার্থী আমিনুর রহমান ও সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নে সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী সোহেল রানা ঢোল প্রতিকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।

সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নের পাচ নম্বর ওয়ার্ডে যুব সমাজ কর্তৃক আয়োজিত সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমানে বিপুল ভোটে বিজয়ী এবং অত্র ইউনিয়নের ইতিহাস সৃষ্টিকারী পরপর দুই বারের জন নন্দিত চেয়ারম্যান সোহেল রানাকে গণ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন রংপুর সদর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন মিলন,জাতীয় ছাত্র সমাজের হাসিনুর রহমান সুমন ও জন নন্দিত চেয়ারম্যানের স্ত্রী মাহবুবা শারমিনসহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত জন নন্দিত চেয়ারম্যান সোহেল রানা বলেন- গত পাচ বছর পূর্বে আপনাদের দেওয়া ভোটে আমি চেয়ারম্যান হই। আমার সেই পাচ বছরের চেয়ারম্যানের সময় ছিলো ট্রেনিং এবং চেয়ারম্যানি বুঝতে সময় শেষ হয়েছে। এবার আমি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানি করবো দিন,ঘন্টা ও মিনিট হিসেব করে নয়,আমি সেকেন্ড হিসেব করে চেয়ারম্যানি করবো। সর্বপ্রথম ইউনিয়নকে দালালমুক্ত করবো।

এছাড়াও বাল্যবিবাহের প্রতি থাকবে আমার কঠোর অবস্থান। মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়তে আমার যা করা লাগে আমি তাই করবো। আপনাদের যদি কোন কাজের বা সইয়ের প্রয়োজন হয় তাহলে সরাসরি আমাকে বলবেন কোন দালালের মাধ্যমে নয়। কারণ আপনি দালালের পেছনে যে টাকা খরচ করবেন তা দিয়ে যেন আপনার সংসারের উন্নতি হয় সেই দিকটা খেয়াল রাখবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেগা প্রজেক্ট “গ্রাম হবে শহর”বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইউনিয়নের ব্যাপক উন্নয়ন হবে।এলাকার কোন রাস্তা কাচা থাকবে না,স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হবে। সরকারের এই উন্নয়নের রুপ বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। এ সময় তিনি প্রতিকি চিহ্নস্বরুপ বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে এলাকাবাসীকে অবগত করেন।

সোহেল রানার বক্তব্যে শুনে স্থানীয় জনসাধারনরা বলছেন-যদি চেয়ারম্যান এই সব বাস্তবায়ন করে তবে আগামী ৫০ বছরেও আর তাকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে সড়াতে পারবে না।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!