সিলেট-৩ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন পেতে আব্দুর রকিব মন্টু সমর্থনে প্রবাসীরা

আমিন ব্যাপারী,কাতার প্রতিনিধি।।

112

সিলেট -৩ আসনের উপনির্বাচনে ওয়ান-ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মামলায় আইনজীবী প্যানেলের সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব মন্টু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।তাছাড়া প্রবাসীদের বড় ধরনের সমর্থন রয়েছে আব্দুর রকিব মন্টু পক্ষ বিশেষ করে প্রবাসীরা এমন একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায় যে কিনা দেশের উন্নয়নে কাজ করে নিজের এলাকার সুনাম বৃদ্ধি করবে।

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য দেশগুলো যেমন কাতার, সৌদি,আরব আমিরাত, কুয়েত এসব দেশগুলোতে ব্যাপক সমর্থক রয়েছে আব্দুর রকিব মন্টু সমর্থনে।তাই আব্দুর রকিব মন্টু দলীয় মনোনয়ন পেতে বড় ধরনের সমর্থন রয়েছে প্রবাসীদের।তেমনি একজন কাতার প্রবাসী বঙ্গবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি মীর মোশারফ হোসেন নয়ন। তিনি জানান ,একজন আব্দুর রকিব মন্টু বার বার আসে না তাই নিজের এলাকার কথা চিন্তা করে নিঃস্বার্থ জনদরদি গরিবের বন্ধু আব্দুর রকিব মন্টু ভাইয়ের দলীয় মনোনয়ন পেতে বিকল্প নেই।

তিনি সিলেট ৩ আসনের জনগণের সাথে আব্দুর রকিব মন্টুর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাদের সুখে-দু:খে সর্বদা পাশে ছিলেন ,আছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভের জন্য জোরালো তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন । উল্লেখ্য ২০০৮/ ২০১৪/ ২০১৮ এর জাতীয় নির্বাচনে সিলেট ৩ আসনে তিনি প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে অনেকটা কঠিন ও প্রতিকূল সময়ে অদম্য সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন । ১৯৮৪ সাল থেকে ছাত্রলীগের কাজ করার মধ্যদিয়ে আব্দুর রকিব মন্টু’র রাজনীতির সূচনা হয় ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত জাতীয় ক্রীড়াবিদ আলহাজ্ব বশির আলীর সন্তান মন্টু ও আব্দুর রহিম বাদশা সহ তাদের ছয় ভাই বোন আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলাধুলায় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত। ভাই বোনেরা সবাই লেখাপড়ায় গ্র্যাজুয়েট। অ্যডভোকেট আবদুর রকিব মন্টু ফেঞ্চুগঞ্জ এনজিএফএফ স্কুল থেকে এসএসসি, সিলেট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এল এল এম ডিগ্রী লাভ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে প্যারা লিগ্যাল কোর্স সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি আইন পেশায় যোগ দেন ।

বাংলাদেশের সহকারী এটর্নি জেনারেল হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার মামলা(জাতীয় সংসদের বিশেষ আদালতে) পরিচালনা করেছেন। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মামলা পরিচালনা করেছেন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ,জাতীয় চার নেতা হত্যা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সহ অনেক উল্লেখ যোগ্য মামলা।

তিনি বৃহত্তর সিলেট আইনজীবী পরিষদ বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনের প্রাক্তন সদস্য হিসেবে অত্যন্ত সফলতার দাবিদার। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সুখ্যাতি অর্জন করেছেন।

তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাথলেটিক সাব-কমিটির সভাপতি, ছাত্রাবস্থায় স্কুল জীবনে জাতীয় স্কুল প্রতিযোগিতায় তার নেতৃত্বে ১৯৮৬ সালে জাতীয় রেকর্ড অর্জন করেন। সিলেট সরকারি কলেজ চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন ও জাতীয় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

এছাড়া সিলেট বিভাগ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজিএমসি’র হয়ে জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় তিনি অনূর্ধ্ব ১৬ ফুটবল টিমের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ফুটবলের সাধারণ বীমা ফ্রেন্ডস সোসাইটির হয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রথম বিভাগে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া তিনি ঢাকা ও সিলেটের সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের সদস্য।

বাংলাদেশ মাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। মন্টু এশিয়ান অ্যাথলেটিক এসোসিয়েশন টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য, অ্যাথলেটিক এসোসিয়েশনের লিগ্যাল কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশে বিদেশে অ্যাথলেটিক্সের গৌরব ও উজ্জ্বল ভাবমূর্তি সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বয়েজ স্কাউট, বিএনসিসি, লিও ক্লাবের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে রেখেছেন বলিষ্ঠ অবদান। তিনি ঢাকাস্থ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য, রোটারি ক্লাব ঢাকা ডাউনটাউনের সদস্য, তিনি ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সিলেট আইনজীবী সমিতির সদস্য । তাঁর পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব বশির আলী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমায় বিভিন্ন দুর্যোগ-দুর্বিপাকে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন । বাড়িয়ে দিয়েছেন সাহায্য সহযোগিতার হাত।

দুর্গতদের কে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছেন, গৃহহীন কে গৃহদান, কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা কে সহায়তা, যুব তরুণ সমাজকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশ গ্রহন করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় খেলার সামগ্রী প্রদান করেছেন। সেইসাথে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করছেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ৮ টি ইউনিয়ন ও ১টি উপজেলায় মামলা জনিত কারণে ১৬ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত কোনো নির্বাচন হয়নি।

এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু নিজ দায়িত্বে এই আট ইউনিয়নের মামলাজনিত জটিলতা দূর করার লক্ষে উদ্যোগী হয়ে দায়িত্ব নিয়ে মামলা পরিচালনা করে ৮ ইউনিয়নের ও একটি উপজেলার ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন! আব্দুর রকিব মন্টু সিলেটের সকল ন্যায্য দাবি দাওয়ার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

সিলেট মধুবন আন্দোলন, সিলেট বিভাগ আন্দোলন, সিমিটার আন্দোলন সাইপাম আন্দোলন, ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা রক্ষা আন্দোলন, সার কারখানায় স্থানীয়দের অন্তর্ভুক্তি আন্দোলন, নদী ও হাওড় রক্ষা আন্দোলন, প্রবাসীদের ন্যায্য দাবি-দাওয়ার আন্দোলন, গণদাবী পরিষদের বিভিন্ন ন্যায্য আন্দোলনে ও তিনি সোচ্চার ছিলেন। তিনি এলাকার যুব সমাজকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশ গ্রহণ এর মাধ্যমে মাদক, সন্ত্রাস , জঙ্গি ও দুর্নীতিমুক্ত করাএবং নারীদেরকে সুরক্ষা প্রদানের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

কর্মদক্ষ, উচ্চশিক্ষিত, স্মার্ট, অসংখ্য সংগঠনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দানকারী, যুব সমাজের অহংকার সামাজিক কর্মকাণ্ডের অগ্রপথিক এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু সিলেট ৩ আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাঁর অবস্থান অত্যন্ত ভালো। উল্লেখ্য, একাধারে তিনবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ এর মৃত্যুতে সিলেট ৩ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনের নির্বাচন নিয়ে সবার কৌতূহল । ইতিমধ্যে প্রায় দেড় ডজন প্রার্থী তাদের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা জানান দিয়েছেন।

আরো পড়ুনঃ
error: Content is protected !!