কিশোরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ

নীলফামারী প্রতিনিধি।

​নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৫২৩টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত ১০ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চেক বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে এই চেক তুলে দেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কয়েক মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে পাঁচটি গ্রামের ঘরবাড়ি ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে প্রায় সাড়ে ৫ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

​তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির ধরণ অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৫২৩টি পরিবারকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ​অতি ক্ষতিগ্রস্ত (১৬৯ পরিবার) প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা। ​মাঝারি ক্ষতিগ্রস্ত (১৩৯ পরিবার) প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা।​স্বল্প ক্ষতিগ্রস্ত (২১৫ পরিবার) প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমান, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোনাব আলী এবং সোনালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক শরিফ হাসান প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন, “ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আমরা স্বচ্ছতার সাথে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে তিনটি ক্যাটাগরিতে আজ চেকগুলো হস্তান্তর করেছি। সরকারের এই মানবিক সহায়তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”

​উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবরের সেই প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ে মুহূর্তের মধ্যে তছনছ হয়ে যায় গাড়াগ্রামের শত শত পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই। সরকারের এই আর্থিক সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মুখে কিছুটা স্বস্তির হাসি ফুটেছে।

আরো দেখুনঃ