বাগমারায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ প্রতিবেদক:

বাগমারার নরদাশ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা এবং গাজীপুর মাহিপি ক্যাডেট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম প্রতিপক্ষের অত্যাচার ও হুমকির কারণে প্রায় দুই মাস ধরে গ্রামে যেতে পারেছেন না বলে সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্নই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন।

গতকাল রোববার বাগমারা উপজেলা প্রেস ক্লাবে এক পল্টা সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই দাবি করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মকবুল হোসেনের বড় ছেলে লিটন, জামাই আফজাল হোসেন ও ভাতিজা রিটন বাবু।

পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে মকবুল হোসেন দাবি করেন, তিনি পেশায় একজন কৃষক। তার ছেলে খোরশেদ আলম একজন সেনা সদস্য। আমাদের প্রতিবেশি আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে তার ভাইদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে। তাদের ভাইদের অনুরোধে আমি সেই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গিয়েছিলাম।

এই ঘটনার জেরে আশরাফুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে দশ হাজার টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগে বাগমারা থানায় একটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আমার সেনা সদস্য ছেলে খোরশেদ আলম এবং আমার বড় ছেলে কৃষক লিটনকেও আসামী করা হয়েছে। মুলত আমাকে ও আমার সেনা সদস্য ছেলেকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যেই এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগে ভিত্তিহীন মামলা করা হয়েছে।

আর ওই মিথ্যা মামলার সূত্র ধরে সংবাদ সম্মেলনের বরাদ দিয়ে গতকাল রোববার রাজশাহীর শীর্ষস্থানীয় দৈনিক সোনালী সংবাদ ও যুগান্তরসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এবং অনলাইন নিউজপোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

তাছাড়া আশরাফুল ইসলাম তার মামলার এজাহারে স্বাক্ষী হিসাবে যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তাদের মধ্যে মোছা. রাফিকুন নেসা, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মো. আফজাল হোসেন ওই মামলা সম্পর্কে কিছুই জানেনা মর্মে রাজশাহী নোটারী পাবলিকে এফিডেভিটও জমা দিয়েছেন।

কাজেই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ধরনের মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

আরো দেখুনঃ