বাগমারার নরদাশ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা কক্সবাজার সেনা ক্যাম্পে কর্মরত সেনা সদস্য খোরশেদ আলম ও তার বাবা আ.লীগ নেতা মকবুল হোসেনের অত্যাচার ও অব্যাহত হুমকির কারনে একই গ্রামের বাসিন্দা প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম প্রায় দুই মাস ধরে গ্রামে যেতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় শনিবার বাগমারা উপজেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের জীবনের নিরাপত্তা ও হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই প্রধান শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তিনি বাগমারার নরদাশ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা এবং গাজীপুর মাহিপি ক্যাডেট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। গত রমজানের ছুটিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে আসলে তার জমি দেখাশোনা করেছেন মর্মে প্রতিবেশি মকবুল হোসেন তার কাছে দশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। মকবুল হোসেন নরদাশ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
মকবুল হোসেনের ছেলে সেনা সদস্য খোরশেদ আলম গত ঈদের ছুটিতে বাড়ি আসার পর ওই বিরোধের জেরে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে তাকে জখম করেন। মারধরে তার দুইটি হাত ভেঙ্গে যায়। এই ঘটনায় তিনি সেনা সদস্য খোরশেদ আলম ও তার বাবা মকবুল হোসেনসহ তিন জনের বিরুদ্ধে বাগমারা থানায় একটি মামলা করেন।
কিন্তু মামলা করার পর থেকেই বাদি ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ওই মামলা থেকে বাঁচতে তার (আশরাফুল ইসলাম) এবং তার বৃদ্ধ বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে আদালতে একটি হয়রানীমূলক মামলা করা হয়েছে।
সেনা সদস্য খোরশেদ আলম, তার বাবা মকবুল হোসেন এবং তাদের পক্ষের লোকজনের অত্যাচার ও অব্যাহত হুমকির কারনে জীবনের নিরাপত্তার অভাবে প্রায় দুই মাস ধরে গ্রামে আসতে পারছেন না বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন ভুক্তভোগী ওই প্রধান শিক্ষক। তবে চাঁদা দাবির কথা অস্বীকার করে অভিযুক্ত মকবুল হোসেন বলেছেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধে মারমারি হয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা চলছে।
প্রধান সম্পাদক: হুমায়ুন কবির রনি
মোবাইল: ০১৭১৬-৫৩০৫১৪
ইমেইল: onnews24@gmail.com
www.onnews24.com