ভেড়ামারায় অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য তৈরির কারখানার মালিককে গ্রেফতারের দাবী
ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নে সাতবাড়ীয়া এলাকায় গড়ে তুলেছে অনুমোদনহীন নকল জুস, জেলি, লিকুইড দই এবং বিভিন্ন জাতীয় শিশু খাদ্য তৈরির কারখানা। এলাকাবাসীর দাবী অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য তৈরির কারখানার মালিক মজনু হোসেন কে গ্রেফতারসহ কারখানাটি বন্ধ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার চক বাজার থেকে বিভিন্ন নামী-দামী অনুমোদিত কোম্পানির লেভেল বা ব্যাচ ব্যবহার করে ভেড়ামারার সাতবাড়ীয়া এলাকায় কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশু খাদ্য তৈরি ও বাজারজাত করে আসছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। অনুমোদনহীন ও নকল পদ্ধতিতে জুস, জেলি এবং চকলেট জাতীয় শিশু খাদ্য তৈরির মূল্য হোতা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নে সাতবাড়ীয়া এলাকার রেজাউল করিমে ছেলে মজনু হোসেন। অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য তৈরির কারখানার মালিক মজনু হোসেন কে গ্রেফতার ও তার কারখানাটি বন্ধ করার দাবী। লাইসেন্স বা কাগজপত্র নেই কারখানার মালিক মজনু হোসেনের। ভেজাল শিশুখাদ্য তৈরি করে স্বল্প পরিমান জরিমানা মাধ্যমে পার পেয়ে যাচ্ছে কিভাবে বারংবার ? তদ্বিরবাজ গুলো কিসের স্বার্থে জেল-জরিমানা কমানোর সুপারিশ করলো, সাধারণ জনগনের মুখে মুখে।
কারখানার মালিক মজনু হোসেন বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত আমার কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১ লক্ষ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
বিএসটিআই পরিদর্শক আসিফ করিম বলেন, ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নে সাতবাড়ীয়া এলাকার মজনু হোসেনের অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য তৈরির কারখানায় একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। কারখানার মালিক কে জরিমানা করা হয়েছে। তার পরও সে অনুমোদনহীন নকল জুস, জেলি, লিকুইড দই এবং বিভিন্ন জাতীয় শিশু খাদ্য তৈরি করে আসছে।
ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, ভেড়ামারায় অনুমোদনহীন ও নকল জুস, জেলি, লিকুইড দই এবং বিভিন্ন জাতীয় শিশু খাদ্য তৈরির একটি কারখানার মালিক মজনু হোসেনকে ১ লক্ষ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য ও তৈরির কাঁচামাল জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়। জব্দকৃত মালামাল বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিততে ধ্বংস করা হয়। এছাড়াও একই এলাকার মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে শাহাদত হোসেনের (৪২) বাড়ীতে যৌন উত্তেজনার বিভিন্ন ধরনের বোতলজাতকৃত ঔষধ পাওয়া যায়। লাইসেন্স বা কাগজপত্র না থাকায় শাহাদত হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার, বিএসটিআই পরিদর্শক আসিফ করিম, কুষ্টিয়া ফিল্ড অফিসার খাইরুল ইসলামসহ থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
এমএফ/অননিউজ