মেসির স্ত্রীকে উপহার দিলেন জর্জিনা, যা বললেন আন্তোনেল্লা রুকুজ্জু

অনলাইন ডেস্ক।।

প্রায় দুই দশক ধরে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। মাঠের উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের বাইরে এবার আলোচনায় এসেছে তাদের পরিবারের সৌহার্দ্যপূর্ণ একটি ঘটনা। কেন্দ্রে রয়েছেন মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জু এবং রোনালদোর সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজ।

সম্প্রতি নিজের নতুন ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’ (Mimóa)-এর পোশাক উপহার হিসেবে আন্তোনেল্লার কাছে পাঠান জর্জিনা। উপহার পাওয়ার পর আন্তোনেল্লা নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সেই পোশাকের ছবি প্রকাশ করে জর্জিনাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি লেখেন, ‘অনেক ধন্যবাদ, জর্জিনা রদ্রিগেজ। সবকিছুই অসাধারণ সুন্দর। তোমার নতুন উদ্যোগের জন্য আন্তরিক শুভকামনা।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তোনেল্লার অনুসারী সংখ্যা সাড়ে চার কোটির বেশি। ফলে তার এই পোস্ট মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই এটিকে কেবল সৌজন্য উপহার নয়, বরং মেসি ও রোনালদোর পরিবারের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ইতিবাচক সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।

আন্তোনেল্লা ও মেসির পরিচয় শৈশব থেকেই। দুজনের জন্মই আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। অন্যদিকে জর্জিনা রদ্রিগেজের জন্ম বুয়েনেস এইরেসে। ব্যক্তিগত জীবনে আন্তোনেল্লা ও জর্জিনার ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের প্রকাশ্য নজির খুব বেশি না থাকলেও তাদের মধ্যে কোনো বিরূপ সম্পর্কের তথ্যও কখনো সামনে আসেনি। সাম্প্রতিক এই শুভেচ্ছা বিনিময় বরং তাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নিজের নতুন ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’র প্রচারণাও শুরু করেছেন জর্জিনা। বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এমন একটি জার্সি পরেছিলেন, যার পেছনে ব্র্যান্ডটির নাম লেখা ছিল। ‘মিমোয়া’ মূলত নারীদের জন্য আরামদায়ক, আধুনিক ও বহুমুখী পোশাক তৈরির লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে।

অন্যদিকে মাঠের লড়াইয়ে পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে শেষ ষোলো পর্বেই। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অধ্যায়ও শেষ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একইভাবে চলমান আসরটিই লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফলে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাও শেষের পথে।

তবে মাঠের প্রতিযোগিতা শেষ হলেও দুই কিংবদন্তির সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেতে পারে বলে মনে করছেন অনেক সমর্থক। ভবিষ্যতে সামাজিক, বাণিজ্যিক কিংবা মানবিক কোনো উদ্যোগে মেসি ও রোনালদোকে একসঙ্গে দেখা গেলে তা আর বিস্ময়ের বিষয় হবে না। দুই পরিবারের সাম্প্রতিক এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ঘটনাই যেন সেই সম্ভাবনার ইঙ্গিত বহন করছে।

সূত্রঃ বিডি24লাইভ
আই/অননিউজ২৪।।

আরো দেখুনঃ