জনপ্রিয়তা এখন যেন কাল! মানববন্ধন, মামলা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিপাকে যুবদল নেতা কুদ্দুস খান

জামালপুর প্রতিনিধি:

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস খানকে নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও সেই জনপ্রিয়তাই এখন তার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড, অসহায় মানুষের সহযোগিতা ও যুবসমাজকে সংগঠিত করার কারণে আব্দুল কুদ্দুস খান সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করলে একটি মহল তার বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন তার সমর্থকরা।

অভিযোগ রয়েছে, এলাকার কিছু কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন, নারী দিয়ে হয়রানিমূলক মামলা, মাদক মামলা এবং বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুস খান বলেন,
আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সাধারণ মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। কিন্তু আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার দিয়ে আমাকে দমিয়ে রাখা যাবে না।

তিনি আরও বলেন,
আমি আইন ও বিচার বিভাগের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সঠিক তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে। জনগণই আমার সবচেয়ে বড় ভরসা।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, আব্দুল কুদ্দুস খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা উন্নয়নমূলক ও মানবিক কাজে জড়িত রয়েছেন। অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণেই তাকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
কুদ্দুস খান এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। তাই তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে। কিছু লোক সেটা সহ্য করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

আরেকজন বলেন,
যে অভিযোগগুলো আনা হচ্ছে, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত। সত্য-মিথ্যা যাচাই ছাড়া কাউকে হেয় করা ঠিক না।

এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল বলছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কাউকে হয়রানি না করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।

আরো দেখুনঃ