নিয়ামতপুরে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ বাচ্চা নষ্টের অভিযোগ

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী লতা খাতুন ধর্ষণের শিকার হয়ে পেটে থাকা ৪ মাস বয়সী বাচ্চা নষ্টের অভিযোগ উঠেছে ভিকটিম সাখওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের সিদাইন গ্রামে।

শনিবার (০১ আগস্ট) সকালে ভুক্তভোগী লতা খাতুনের বাবা মিরাজ সোনার বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাখওয়াত হোসেন কৌশলে ডেকে নিয়ে আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি আমরা বুঝতে পেয়ে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে গত ১৬ জুলাই সাখওয়াত হোসেনে সাথে লতা খাতুনের বিয়ে দেওয়া হয়।

এরপর লতা খাতুন শ্বশুর বাড়ীতে গেলে শ্বশুর মাবুদ আলী, শ্বাশুড়ি সাইফা বেগম, কাদের আলী ও সোরাভ হোসেন গত শুক্রবার ৩১ জুলাই রাতে লতা খাতুনের পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য জোরপূর্বক ওষুধ খাওয়ায়। রাতেই সাখওয়াত লতা খাতুনকে আমার বাড়িতে রেখে যায়।

বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েকে নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। আমার মেয়ের গর্ভে থাকা বাচ্চাটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। লতা খাতুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

ভুক্তভোগী লতা খাতুনের বাবা মিরাজ সোনার বলেন, আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ ও পেটে থাকা বাচ্চা নষ্ট করল। আমার মেয়ে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী তার উপর সংঘটিত নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার চায়।

নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরো দেখুনঃ