খুব সহসাই সাজেক সংকট নিরসন হ‌বে-ওয়াদুদ ভুইয়া

মো: এনামুল হক ,খাগড়াছড়ি

টানা ৬ দিন ধরে চলা পাহাড়ের অন্যতম দৃষ্টিননন্দন পর্যটন কেন্দ্র সাজেক সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার এবং এলাকার সার্বিক অচলাবস্থা নিরসনে বড় ধরণের বড় অগ্রগতি হয়েছে ব‌লে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া।

সোমবার সন্ধ্যায় ২৬ অ‌ক্টোবর রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ির উজোবাজারে অবরোধকারীদের সাথে বৈঠক শেষে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজ হলরুমে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা ব‌লেন তি‌নি।

এ সময় তিনি বলেন, অবরোধকারীদের উত্থাপিত ৫টি প্রধান দাবির মধ্যে চারটি দাবির বিষয়ে ইতিবাচক সমঝোতা হয়েছে। অবশিষ্ট একটি দাবিও আগামী ২/১ দিনের মধ্যে সমাধানের সরকারি আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ফলে শীঘ্রই সাজেকের চলমান সংকটের সমাধান হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, সাজেক ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কার্যক্রম করা হচ্ছে। পাহাড় থেকে অবৈধ অস্ত্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপরতা বন্ধ হয়ে গেলে সেনাবাহিনীও উঠে চলে আসবে।

এ সময় রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজানসহ খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকেলে সাজেকের উজোবাজারে অবরোধকারী দুটি সংগঠন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী এসোসিয়েশনের নেতাকর্মীদের সাথে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়াসহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা।

উল্লেখ্য, ৬ দিন আগে নিরাপত্তা ও বিভিন্ন স্থানীয় উন্নয়নমূলক ৫ দফা দাবিতে সাজেকে সংগঠন দুটি কয়েক দফায় এই অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ডাক দেয়। অবরোধের ফলে সাজেকের সাথে মূল ভূখণ্ড এবং খাগড়াছড়ি জেলার সাথে প্রধান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকে। যা এখন পর্যন্ত চলমান।

আকস্মিক এই কর্মসূচির কারণে সাজেকে বেড়াতে আসা হাজার হাজার পর্যটক চরম আটকে পড়েন এবং স্থানীয় অধিবাসীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন। স্থবির হয়ে পড়ে পুরো পাহাড়ি এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাত।

আরো দেখুনঃ