সেবার মান বাড়াতে কুমেকে আইসিইউ আনার চেষ্টা চলছে -কুমেক হাসপাতল পরিচালক

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার।।

51
বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালির ৬ জেলার মধ্যে সবেচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। পাঁচশ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালে নেই ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র। দ্রুত কুমেক হাসপাতালে আইসিইউ চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করেছেন সচেতন নাগরিকরা।
আইসিইউ না থাকার কারণে সংকটাপন্ন রোগীদের পাঠানো হয় বেসরকারি হাসপাতলে। কিন্তু অবহেলিত ও দরিদ্র রোগীদের এখানেই পড়ে থাকতে হয়। অথবা চলে যেতে হয় শেষ ঠিকানায়। কুমেক হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ যোবায়ের আহমদ বলেন, আইসিইউ ব্যাকআপ ছাড়াই চলছে অনেক বড় বড় অপারেশন। অপারেশনের পর রোগীর সমস্যা দেখা দিলে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে বা কোন বেসরকারি হাসপাতালে। আর বেসরকারী হাসপাতালে পাঠালে প্রচুর খরচ হচ্ছে রোগীর পরিবারের। আমি মনে করি কুমেকে আইসিইউ আনা খুবই দরকার। তা হলে এ অঞ্চলের বিশেষ করে গরীব রোগীদের জন্য সহায়ক হবে।
কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন, ৫০০ শয্যার হাসপাতালের প্রতিদিন প্রায় ৯০০-১০০০ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এছাড়াও প্রতিদিন বহু রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন বহির্বিভাগে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্য সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। স্বাস্থ্য সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান পাকিস্তান ও ভারতের তুলনায় অনেক উপরে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ অতি জরুরী। কারণ মুমূর্ষ রোগীদের জন্য ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের বিকল্প নেই।
এ ব্যাপারে আমরা অধিদফতরে চিঠি দিয়েছি। আশা করেন শিঘ্রই আইসিইউ চালু হবে। বুধবার (০৫ ফেব্রুয়ারী ) কুমেক হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে সাংবাধিকদের সাথে এসব কথা বলেন।
আরো পড়ুনঃ