ঘুস দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ,বাগমারার ইউএনও’র অপসারণ চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

বিশেষ প্রতিবেদক:

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহম্মেদের বিরুদ্ধে ঘুস দুর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএনওকে অপসারণের দাবিতে মঙ্গলবার রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন আউচপাড়া ইউনিয়নের অভ্যাগতপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মেহেদী হাসান।

এর আগে গত সোমবার ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ইউএনওকে অপসারণের দাবিতে উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচী পালন করেন নিয়োগ বঞ্চিত পরীক্ষার্থীরা ও বিএনপি নেতাকর্মীরা।

অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ইউএনও সেলিম আহম্মেদ বাগমারায় যোগদানের পর থেকেই তিন ফসলি কৃষি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের মহোৎসব শুরু হয়। ওইসব অবৈধ পুকুর খননকারীদের কাছে থেকে তিনি টাকা লেনদেন করেন। এছাড়া সম্প্রতি কৃষি অফিসে বৃক্ষরোপণে গাছের চারা ক্রয় এবং সরকারি গোডাউনে ধান ও চাল ক্রয়ে পার্সেন্টেজ খেয়ে দুর্নীতি করেছেন।

অফিসের প্রতিটি ফাইলে ওয়ান পার্সেন্ট ও ডিলারদের কাছে থেকে প্রতি মাসে মাসোহারা নিয়ে থাকেন। অপরদিকে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী সুপারভাইজার পদে নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করা হয়েছে। কারণ প্রাথমিকভাবে মনোনীত তথ্য সংগ্রহকারী পদে মোট ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী নির্বাচিত করার পরেও ৪৭৮ থেকে ৪৯২ নং পর্যন্ত রোল পাওয়া গেছে।

তাছাড়া প্রকাশিত তালিকায় হামিরকুৎসা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সোহেল রানাসহ আ.লীগ ও জামায়াত পরিবারের লোকজনের নাম রয়েছে। তাছাড়া তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার দুইটি পদেই আব্দুর রহিমের ছেলে শাহীন আলমের নাম রয়েছে।

তবে তিনি তার জায়গায় সঠিক রয়েছেন এবং যে যত পারে অভিযোগ দিক তাতে কোন সমস্যা নাই বলে মন্তব্য করেছেন ইউএনও সেলিম আহম্মেদ। এদিকে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো দেখুনঃ