জুড়ীতে বিদায়ী ইউএনও বাবলু সূত্রধরকে সংবর্ধনা

সাইফুল ইসলাম সুমন, জুড়ী

ভূমি আপিল বোর্ডে নতুন কর্মস্থলে পদায়নের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবলু সূত্রধরকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে জুড়ী প্রেসক্লাবের আয়োজনে সানাবিল লাইব্রেরি এন্ড এডুকেশন সেন্টার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি তানজির আহমেদ রাসেল। জুড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুমনের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবলু সূত্রধর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রবীণ শিক্ষাবিদ তাজুল ইসলাম (তারা মিয়া), সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কুলেশ চন্দ্র চন্দ মন্টু, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সদস্য হারিস মোহাম্মদ, অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আদনান চৌধুরী, সমাজসেবক রেজান আলী, জায়ফরনগর ইউনিয়নের বেলাগাঁও ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কাশেম, কন্টিনালা রাবার ড্যাম পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সহসভাপতি আব্দুর রব ও সানাবিল সেন্টারের সুপারভাইজার তাহমিনা আক্তার মিলিসহ আরও অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদায়ী জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবলু সূত্রধর বলেন, জুড়ীতে দায়িত্ব পালন করতে এসে আমি যেন এক নতুনত্বের দেখা পেয়েছি। জুড়ীর অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, এখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। শুধু প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও জুড়ী আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। এখানে কাজ করতে গিয়ে নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছি, যা আমার কর্মজীবনের বড় সম্পদ হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এই উপজেলার জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষ সবাই আমাকে দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সহায়তা করেছেন। তাদের এই আন্তরিকতা আমি কখনও ভুলতে পারব না। দেশের যে প্রান্তেই থাকি, জুড়ীর মানুষের ভালবাসা ও সহযোগিতা সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি বলেন, আমি সবসময় চেষ্টা করেছি জুড়ীকে নিজের এলাকা মনে করে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে। সাধারণ মানুষের সমস্যাকে নিজের সমস্যা ভেবে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেছি। হাওরবেষ্টিত এই মনোরম অঞ্চল, এখানকার সহজ-সরল মানুষের মাঝে কাজ করার অভিজ্ঞতা হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। জুড়ীর মানুষের ভালোবাসাই আমার কর্মজীবনে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। অনুষ্ঠানের শেষে বিদায়ী ইউএনও বাবলু সূত্রধরের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

আরো দেখুনঃ