হজে যাওয়ার নামে প্রতারণা:ক্ষতিপুরন চেয়ে থানায় অভিযোগ দিলেন মোয়াল্লেম
বিশেষ প্রতিবেদক:

পবিত্র ওমরাহ পালনের কথা বলে ভিসা ও বিমানের টিকিট কনফার্ম করে নিয়েও ওমরাহ পালন না করে মোয়াল্লেমের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এস এম হাবিবুর রহমান (৬২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি বাগমারা উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের মঙ্গলপুর গ্রামের মানিকুল্লার ছেলে। এই ঘটনায় এক লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা ক্ষতিপুরন চেয়ে বাগমারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার সাউদিয়া হজ্ব কাফেলার পরিচালক নাছিম উদ্দিন বাদী হয়ে এই অভিযোগটি করেছেন। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও এই ঘটনায় পৃথকভাবে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের মঙ্গলপুর গ্রামের মানিকুল্ল্যার ছেলে এস এম হাবিবুর রহমান ও তার ভগ্নিপতি রমজানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোসলেম উদ্দিন এক সঙ্গে সাউদিয়া হজ্ব কাফেলার মাধ্যমে পবিত্র ওমরাহ পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সৌদি আরবের ভিসা ও বিমানের টিকিট কনফার্ম করিয়ে নেন। ভিসা ও বিমানের টিকিট কনফার্ম হওয়ার ওমরাহ প্যাকেজের পুরো টাকা পরিশোধ করে মোসলেম উদ্দিন যথা সময়ে ওমরাহ পালন করেছেন।
কিন্তু প্রতারক হাবিবুর রহমান ওমরাহ পালন না করে হজ্ব কাফেলার পরিচালককে ভিসা ও বিমানের টিকিটের কোন খরচও দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। হাবিবুর রহমানের নামে সৌদি আরবের বিমানের টিকিট ক্রয়সহ ভিসা প্রসেসিং করতে ওই হজ্ব কাফেলার পরিচালকের এক লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এর কয়েক দিন আগেও এই ঘটনায় হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে এক সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে এক লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপুরন দিয়ে পুনরায় ওমরাহ পালনের সম্মতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। কিন্তু মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে হাবিবুর রহমান ওই সালিম বৈঠকের সিদ্ধান্তও অমান্য করে আবারও টালবাহানা শুরু করেন।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান ওই মোয়াল্লেমকে তার ভিসা প্রসেসিং ও বিমানের টিকিট বাবদ কোন টাকা পরিশোধ করেননি বলে স্বীকার করেন।
তবে যেহেতু ওই মোয়াল্লেমের সাথে প্রথমেই তার বিরোধ হয়েছে তাই তার মাধ্যমে পুনরায় ওমরাহ পালনে তিনি ভয় পাচ্ছেন বলে দাবি করেন।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।