হিলিতে কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ আক্রান্ত হচ্ছেন নানা রোগে

হিলি প্রতিনিধি।।

৮৪

দিনাজপুরের হিলিতে গতকয়েকদিন ধরে চলা তীব্র তাপদাহের কারনে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড গরমের কারনে কাজ করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন নিন্ম আয়ের খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষজন। গরম থেকে বাচতে বাড়তি পানি পানের পরামর্শ চিকিৎসকদের।

পথচারী আল আমিন হোসেন বলেন, গতকয়েকদিন ধরে তীব্র রোদের কারনে প্রচন্ড গরম পড়েছে যে বাড়ি থেকে বের হওয়া যাচ্ছেনা বের হলেও যার কারনে শরীর ঘেমে যাচ্ছে। এত পরিমান গরম পড়েছে যে কাজকর্ম করবো সেটিও সম্ভব হচ্ছেনা একটু কাজ করলেই শরীর একেবারে হাফিয়ে উঠছে বাধ্য হয়ে পানি খেতে হচ্ছে না হয় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের কারনে বাজারঘাটেও চলাচল করা যাচ্ছেনা। তীব্র গরমের কারনে নানা ধরনের রোগে ভুগতে হচ্ছে আমাদের।

ভ্যানচালক আব্দুল মজিদ বলেন, প্রচন্ড গরম পড়েছে গরমের কারনে আমাদের ভ্যান চালানো যাচ্ছেনা। এটা টিপ মারতে গিয়ে শরীর ঘেমে শেষ হয়ে যাচ্ছে যার কারনে গরম থেকে বাচতে ছায়াতে রেষ্ট নিতে হচ্ছে।আবার কষ্ট করে ভ্যান চালালেও অতিরিক্ত গরমের কারনে মানুষজন তেমন একটা বাহির না হওয়ায় যাত্রী পাওয়া যাচ্ছেনা এতে করে আমাদের আয় রোজগার কমে গেছে। সকাল থেকে ৫০টাকা ইনকাম করেছি এই ইনকামে চলবে।

কামার কৃষ্ন কর্মকার বলেন, এমনিতেই আগুনে থাকার কাজ করি তার উপর যে গরম পড়েছে এই গরমের মধ্যে কিভাবে কাজ করবো আর কিভাবে চলবো। তাতে করে আমাদের চলা মুশকিল হয়ে পড়েছে। যে গরম পড়েছে তাতে করে সারাদিনে ১০/১২টা স্যালাইন খেয়ে শরীর ঠান্ডা হচ্ছেনা।

ভ্যানের যাত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রচন্ড গরম তার উপর যে রোদ তাতে করে খোলা ভ্যানে চলাচল করলে আমাদের রোদ লাগে এতে করে খুব সমস্যা হয়। অতিরিক্ত গরম লাগে যার কারনে মাথা ঘোরে যার কারনে চলাচল করা খুব সমস্যা অনেক সময় গরমের কারনে একেবারে অসুস্থ্য হয়ে যায় মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.শ্যামল কুমার দাস বলেন,হঠাৎ করে গরমের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারনে পেশাজীবি শ্রমজীবি মানুষ যারা রয়েছেন যাদেরকে বাহিরে কাজ করতে হয়। বিশেষ করে রিক্সা ভ্যান চালক এজাতীয় মানুষের অসুস্থ্য হওয়ার আশংকা বেশী থাকে। বিশেষ করে তীব্র গরমের কারনে পানি শুন্যতা দেখা দেয় কিংবা হিটস্ট্রোকে হঠাৎ করে অচেতন হয়ে যায়।এক্ষেত্রে তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ তীব্র গরমের মধ্যে একটানা কাজ না করে বিশ্রাম নিয়ে কাজ করা। সেই সাথে প্রচুর পানি পান করে বা এই সময়ে শরবত পান করতে পারেন এককথায় তারা ফ্লুইডটা বেশী গ্রহন করে সেই পরামর্শ আমরা দিচ্ছি।

আরো দেখুনঃ
error: Content is protected !!