কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে নেমে গেলেন চেয়ারম্যান : পাল্টে গেছে যানজটের চিত্র

মুরাদনগর প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজার বাসস্ট্যান্ড ও বাজার এলাকায় যানজট নিরসনে চমক দেখালেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ডক্টর আহসানুল আলম সরকার কিশোর। তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিজয়ী এ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ছেলে ও একই সঙ্গে তিনি মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন।

বাজার ও মহাসড়ক এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং ফুটপাথ ব্যবসায়ীদের উৎপাতে অতিষ্ঠ ছিল এ এলাকার লোকজন। দখল উচ্ছেদ ও যানজট নিরসনে পূর্বের একাধিক উদ্যোগ কার্যকর হয়নি। এবার ব্যতিক্রমী চমক দেখালেন আওয়ামীলীগ দলীয় এ উপজেলা চেয়ারম্যান। তদবির বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে আপস করেননি তিনি। তার বাবা এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে তিনি মুরাদনগরকে পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেন। নির্দেশনা বাস্তবায়নে সার্বক্ষণিক তদারকি করেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের দৃঢ়তায় কার্যকর হয় এমপির নির্দেশ। পাল্টে গেছে সমগ্র মুরাদনগর উপজেলার চিত্র।

উপজেলা পরিষদ কার্যালয় ও স্থানীয় দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘ কয়েক যুগের যানজট ভোগান্তি নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয়নি। লোক দেখানো অনেক উদ্যোগ নেওয়া হলেও কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক অংশের কোম্পানীগঞ্জ বাজার থেকে যানবাহন অপসারণ এবং ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দাপটে অসহায় ছিল উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা প্রশাসন। তদবিরে জিম্মি ছিল সাধারণ মানুষ। কার্যকর উদ্যোগ নিতে গিয়ে অনেক বিড়ম্বনায় পড়ে প্রশাসন। এ নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকার ও তার ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান ডক্টর আহসানুল আলম সরকার কিশোর।

দলমত নির্বিশেষ কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি সচেষ্ট হন। এমপির তদারকি ও কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে সার্বক্ষণিক অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা চেয়ারম্যান ডক্টর আহসানুল আলম কিশোর সরকার। অভিযানে অংশ নেন বিভিন্ন এলাকার আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থক ও নেতা-কর্মীরা। দৃশ্যপট পাল্টে যায়। উপজেলা চেয়ারম্যানের ওই উদ্যোগ নিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এ সড়কে যাতায়াতকারী একাধিক যাত্রী। এ ছাড়াও প্রভাবশালী মহল নিয়ন্ত্রিত ফুটপাথের উৎপাত নিরসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এবার পরিচ্ছন্ন ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন এবং মুরাদনগরে দুই দিকে বেষ্টিত গোমতী নদীর সাথে সম্পৃক্ত সকল খাল দখলমুক্ত করার দাবি উঠেছে। যানজট নিরসনে সফলতার পাশাপাশি জলজট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এ জনপদের লোকজন।

এফআর/অননিউজ

আরো দেখুনঃ