সাইবার ট্রাইব্যুনালের মামলা ঘিরে নতুন বিতর্ক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি যুবদল নেতার

জামালপুর প্রতিনিধি:

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ১১ নং চরপুটিমারী ইউনিয়ন উত্তর শাখা যুবদলের সদস্য সচিব শাহানুর রহমান পলাশ ও যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল কুদ্দুস খানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ময়মনসিংহ সাইবার ট্রাইব্যুনালের মামলাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে মামলার বাদী শারমিন আক্তারের আপন মামা আদর আলী মিস্ত্রি দাবি করেছেন, পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তার অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এই ঘটনাকে ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন,আমার ভাগ্নিকে ব্যবহার করে এলাকার কিছু অসাধু, জুয়ারি ও স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি পলাশ ও কুদ্দুসের রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মানববন্ধন ও মামলার পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

অভিযোগ উঠেছে, শারমিন আক্তারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবেক পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টি পুঁজি করে শাহানুর রহমান পলাশের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা না দেওয়ায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে শাহানুর রহমান পলাশ বলেন,
আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি থেকে ছড়ানো কিছু বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকা না দেওয়ায় এখন মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করতেই এসব করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় জনগণের পাশে থেকেছি। এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমার জনপ্রিয়তা নষ্ট করতেই একটি চক্র সক্রিয় হয়েছে।

যুবদল নেতা আব্দুল কুদ্দুস খানও একই অভিযোগ তুলে বলেন,সত্য কখনো চাপা থাকে না। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পলাশ ও কুদ্দুস দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এসব করা হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা।

আরো দেখুনঃ