বাগমারায় খাঁচায় বন্দি মিঠুকে মুক্ত করলেন ইউএনও
আবু বাককার সুজন, বাগমারা প্রতিনিধি

দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সোনালী সংবাদে সংবাদ প্রকাশের পর বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহম্মেদের মানবিক হস্তক্ষেপে খাঁচায় বন্দি টিয়া পাখি মিঠু অবশেষে ১৫ দিন পর মুক্তি পেয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনও’র নির্দেশে নরদাশ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নরদাশ ডিগ্রি কলেজ চত্বরে অনুষ্ঠানিকভাবে ওই টিয়া পাখি মিঠুকে খাঁচায় বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে আকাশে উড়িয়ে দেন।
জানা গেছে, নরদাশ ইউনিয়নের সাঁইধারা গ্রামের মকবুল হোসেনের বাড়িতে প্রায় ৫ বছর পূর্বে স্বেচ্ছায় আশ্রয় নেয় একটি বন্যপ্রাণী টিয়া পাখি। উন্মক্ত পরিবেশে খাবার ও আদর-যত্ন পেয়ে পাখিটি ওই বাড়ি ছেড়ে আর কোথাও যায়নি। মকবুল হোসেনের ছেলের নামের সাথে মিল রেখে আদর করে ওই টিয়া পাখিরও নাম রাখা হয় ‘মিঠু’। এক পর্যায়ে পাড়ার সবার কাছেই পাখিটি মিঠু নামে পরিচিত হয়।
গত ১ জুন সকালে নরদাশ ইউপির সচিব আনারুজ্জামান রিপন মিঠুকে ধরে খাঁচায় বন্দি করে রাখেন। এই ঘটনায় গত শুক্রবার দৈনিক সোনালী সংবাদ ও যুগান্তরে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে তা প্রশাসনের নজরে আসে।
এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহম্মেদ খাঁচায় বন্দি মিঠুকে মুক্ত করার আদেশ দেন। এরপর নরদাশ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম অনুষ্ঠানিকভাবে খাঁচায় বন্দি মিঠুকে মুক্ত করে আকাশে উড়িয়ে দেন।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহম্মেদের এমন মানবিক হস্তক্ষেপে খাঁচায় বন্দিদশা থেকে বন্য টিয়া পাখি মিঠু মুক্তি পাওয়ায় মকবুল হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।